একশত ঊনচল্লিশ.

বর-বউকে হলোগ্রাফে দেখে সবাই হাততালি দিতে লাগল। এই সময় অনিকের পাশে দাঁড়ানো মানহা উসখুস করে বলল, ‘কী হলো? সুমির ছবিটা কখন দেবে?’
‘এই তো এটা শেষ হলেই?’ অনিক ফিসফিস করে বলল।
‘কিছু ঘটবে বলে মনে হয়?’
‘জানি না। তবে চেষ্টা করে দেখতে দোষ কী! আমি এর মধ্যে আমার রুমে গিয়ে ওইজা বোর্ডটাতে সুমির আত্মার আহ্বান করে এসেছি।’
‘তাতে কী এসেছে?’
‘ওটা ইয়েস বাটনেই আছে। সুমির আত্মা এখানে এই ছাদেই ঘোরাঘুরি করছে। এখন হলোগ্রাফিকে দিলে হয়তো ওই রূপ ধারণ করতে পারে।’
সবাই বর-বউয়ের ছবিতে অভিভূত, ঠিক এরকম সময়ে অন্য একটা ছবি দেখে সবাই অবাক হলো। এ কার ছবি? এই ছবি এর মধ্যে এলো কিভাবে?
সবাই মনে করল ভুল করে একটা ভুল ছবি ঢুকে গেছে, চেহারা-সুরত পোশাক আশাকে খুব নিম্নমানের কেউ হচ্ছে, এই বিয়ে বাড়িতে তো এরকম কারোর ঢোকার কথা নয়। শুধু চমকে উঠল তিনজন মানুষ। তাদের চেয়ে আর ভালো করে কেউ এই মেয়েটাকে চেনে না।
(চলবে)