একশত একচল্লিশ.
আর এগিয়ে আসতে আসতে অবাক চোখে লক্ষ্য করল সেই পুরোনো দৃশ্যের পুনরায় দৃশ্যায়ান!
মৃত সুমিকে ধরাধরি করে বড় চাচা ও শিহাব ভাই ছাদের লোহার সিঁড়ির কাছে নিয়ে এসেছে। বড় চাচীও সাথে আছে, হাতে একটা ওড়না, সুমিরই ওড়না। চাচা-চাচী মিলে সুমির ওড়নায় ফাঁস এঁটে সেটা মৃত সুমির গলায় পরিয়ে দিলো, তারপর ঝুলিয়ে দিলো লোহার সিঁড়ির সাথে।
‘স্টপ ইট! স্টপ!’ বড় চাচার ভারী ঘড়ঘড়ে গলা শোনা গেল, ‘স্টপ!’
দৃশ্যটা সবাই দেখছিল, বিয়ের কনে, কনের বাবা-মাসহ আত্মীয়-পরিজনসহ সবাই। যেন কোনো একটা অতিপ্রাকৃত দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে এই অন্ধকার ছাদে।
অন্ধকারের মধ্যে কেউ একজন চেঁচিয়ে বলল, ‘সুইচ অন করে দাও। আলো জে¦লে দাও।’
ওপাশ থেকে অন্য আরেকটা গলা শোনা গেল, ‘এখনি দিচ্ছি।’
আলোয় ছাদ আলোকজ্জ্বল হয়ে উঠলে হলোগ্রাফিক ত্রিমাত্রিক সব ছবি নিমেষে উধাও হয়ে গেল। কিন্তু একটা জিনিস দেখে সবাই অবাক হয়ে গেল, বিয়ের আসরে দাঁড়ানো বর ভয়ে আতঙ্কে থরথর করে কাঁপছে।
কাঁপতে কাঁপতে ওখানেই মূর্ছা গিয়ে ঢলে পড়ল বর। (চলবে)