একশত বিয়াল্লিশ

ততক্ষণে বড় চাচা-চাচী ডাক্তার ডাক্তার বলে হৈচৈ জুড়ে দিয়েছে। কেউ একজন বরের মুখে পানি ছিটাতে হুঁশ ফিরে এলেও বরের মুখ থেকে মন্ত্র আওড়ানোর মতো একটা শব্দই বারবার বেরিয়ে আসতে লাগল, ‘সুমি,!’
শিহাবের এরকম অস্বাভাবিক আচরণ করায় আর কনে পক্ষের চাপাচাপিতে সব সত্য বেরিয়ে এলো। বড় চাচা-চাচী ও শিহাব ভাইয়া স্বীকার করল যে নির্যাতন চালিয়ে সুমিকে তারাই হত্যা করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছিল।
সুমির বাবা-মা পুলিশের সহায়তায় হত্যা মামলা রুজু করলে প্রধান আসামি হিসাবে শিহাবকে ধরে নিয়ে গেল এবং হত্যায় প্ররোচনা ও মিথ্যে সাজানোর দায়ে চাচা-চাচীর অর্থ দণ্ড দিতে হলো।
শিহাব ভাইয়ার বিয়ে ভেঙে গেল।
অনিকের হলোগ্রাফিক ইমেজ ব্যাখ্যার অতীত ও ভৌতিক ব্যাপার হলেও এর কারসাজিতে এরকম একটা ঘটনা ধরা পড়ায় সবাই বাহবা দিলো।
সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার তারপর থেকে হলোগ্রাফিক প্রজেক্টর বিকল হয়ে গেল... (চলবে)