দুই.
ছেলেটা এবার হাসতে হাসতে বলল, ‘দেখেছ, আমার অনুমান কত সত্যি। এবার আমাকে ওখান থেকে পাঁচটা টাকা দাও। আর তুমি দুটো টাকা রেখে দাও। আমি বাড়ি ফিরে না আসা পর্যন্ত তোমার নিশ্চয়ই ওতে চলে যাবে। আমি এবার চললাম আমার ভাগ্যের খোঁজে।’
এই বলে টাকা নিয়ে ছেলেটা বেরিয়ে পড়ল বাড়ি থেকে। যেত যেতে পথে এক বাঘিনীর সাথে দেখা হলো। মাটিতে শুয়ে বাঘিনী কাতরাচ্ছে। তার একটা পায়ে বড় একটা কাঁটা ফুটে আছে। সে হাঁটতে পারছে না। বাঘটা কাতরাতে কাতরাতে ছেলেটাকে বলল, ‘দয়ালু ছেলেটা, দয়া করে আমার পায়ের কাঁটাটা তুলে দাও। আমার খুব যন্ত্রণা হচ্ছে। তুমি এটা করে দিলে আমি সারা জীবন তোমার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব।’
‘না না, বাবা না। আমি পারব না। আমি তোমার কাটা বের করতে যাই আর তুমি আমাকে ধরে খাও, তাই না?’
‘না না। আমি তোমাকে খাব না। দয়া করে আমার কাঁটাটা বের করে দাও। আমি ব্যথা সইতে পারছি না।’
‘কিন্তু কাঁটা বের করতে গেলে তুমি আরও ব্যথা পাবে। তখন তোমার হুঁশ থাকবে না। (চলবে)