আইসিসি অ্যাকাডেমিতে ভারত ম্যাচপূর্ব অনুশীলনে মাঠজুড়ে শুধুই হেটেছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ফিট হওয়ার পথে একটু একটু করে এগোতে থাকা রিয়াদকে ছাড়াই ১৪ মাস পর কোনো ওয়ানডে খেলতে নামে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের নিউজিল্যান্ড সফরে দলে ছিলেন না। এছাড়া সব ম্যাচই খেলেছেন নিজের ক্যারিয়ারের শেষ বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে পা রাখা ক্রিকেটার। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে বাংলাদেশ দলের প্রথম অনুশীলন সেশনে ডান পায়ের কাফ মাসলে চোট লাগার পর থেকেই আর ব্যাট-বলের অনুশীলনে নেই। পাকিস্তান শাহীনসের বিপক্ষে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচও খেলা হয়নি মাহমুদুল্লাহর।
হাঁটা থেকে হালকা রানিং পর্যন্ত এগোলেও উন্নতি ধীর গতিরই। গতকাল রাতের ফ্লাইটে দুবাই ছেড়ে ইসলামাবাদে গিয়েছে দল। রাওয়ালপিন্ডিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৪ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তাকে পাবে কি না, সেই সংশয় উচ্চারিত হচ্ছে দল কিংবা দলের বাইরে ভক্তকুলের মাঝে। ফিট হওয়ার জন্য পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে থাকা এই ব্যাটার ওয়ানডেতে বেশ ছন্দে ছিলেন। নিজের শেষ ৪ ইনিংসের প্রতিটিতেই ফিফটি করেছিলেন রিয়াদ।
আশ^স্ত করেছেন বাংলাদেশ দলের মিডিয়া ম্যানেজার রাবীদ ইমাম। ‘চোট পাওয়ার পরপরই আমরা ওর কাফ মাসলের স্ক্যান করিয়েছি। ওর কোনো কিছু ছেঁড়েনি (টিয়ার) বলেই নিশ্চিত হয়েছি আমরা। তবে অস্বস্তি আছে কিছুটা। সে জন্যই খেলছে না। পুনর্বাসন চলছে ওর। ঠিক মতো দৌড়ানোর মতো অবস্থায় গেলেই খেলতে পারবে সে।’
ক্রিকেটারদের চোট ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ফিজিও জানিয়েছেন, কাফ মাসলের গ্রেড ওয়ান ইনজুরি সারতে এক-দুই দিন লাগে। ভারতের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সময় সেই পর্যায়ের চোটেই পড়েছেন তৌহিদ হৃদয়। তবে গ্রেড টু পর্যায়ের চোটে ৭ থেকে ১০ দিনও সময় লাগে। এর মধ্যেই ছয় দিন পার করে দেয়া মাহমুদের চোটও এই গ্রেডেরই। কিউইদের বিপক্ষে পরের ম্যাচেই রিয়াদ পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী রাবীদ।
বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ২৪ ফেব্রুয়ারি রাওয়ালপিন্ডিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।