শুধু বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ নয়, পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই সরে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স। ফলে শহীদ আফ্রিদিদের ছাড়াই মাঠে গড়াবে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসের (ডব্লিউসিএল) তৃতীয় আসর। পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ। এরপর পাকিস্তানকে বাদ দিয়ে নতুন সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।

পাকিস্তান সরে দাঁড়ানোয় টুর্নামেন্টের সূচিতেও বড় পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ১০ অক্টোবর নির্ধারিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি আর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এখন ছয়টি দলকে নিয়ে বাকি ম্যাচগুলো আয়োজন করা হবে।

নতুন সূচি অনুযায়ী, ৯ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন্সের বিপক্ষে খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা চ্যাম্পিয়ন্স। একই দিনে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়ন্স। ১০ অক্টোবর ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্স মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা চ্যাম্পিয়ন্সের।

১১ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন্সের বিপক্ষে খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়ন্স। একই দিনে ভারত চ্যাম্পিয়ন্সের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স। এরপর লিগ পর্বের বাকি ম্যাচগুলোও পাকিস্তানকে ছাড়াই অনুষ্ঠিত হবে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন্সের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ লিজেন্ডস। এরপর ৯ অক্টোবর ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১১ অক্টোবর ভারত এবং ১৪ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।

এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের উদ্বোধনী ম্যাচসহ একাধিক ম্যাচ সূচিতে রাখা হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে এনওসি জটিলতা তৈরি হলে শেষ পর্যন্ত তাদের খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। পরে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানায়।

কেন খেলছে না পাকিস্তান?
বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবার কিছু শর্ত দিয়েছিল। এর মধ্যে গত আসরের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে ঘিরে ভারতীয় ক্রিকেটারদের আচরণের জন্য দুঃখপ্রকাশের বিষয়টিও ছিল। ভারতীয় ক্রিকেটাররা মাফ না চাওয়ায় আয়োজক কর্তৃপক্ষের সাথে পিসিবির মতপার্থক্য তৈরি হয় বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পিসিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।