চোখের সামনে মাত্র ১০ ফুট দূরে যুদ্ধবিমান আছড়ে পড়তে দেখেন মাইলস্টোন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিম হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, দুপুর সোয়া একটার দিকে বিমানটি কলেজের একটি দোতলা ভবনের নিচতলায় সরাসরি আঘাত হানে। সেখানে তখন স্কুল শাখার ক্লাস চলছিল।
ফাহিম জানান, দুর্ঘটনায় ভবনটির নিচতলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী রাসেল মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তিনি বলেন, ভবনটির নিচতলার ভেতরের অবস্থা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।
ঘটনাস্থলে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স ক্যাম্পাসের ভেতরে-বাইরে আসা-যাওয়া করছে। শিক্ষার্থীদের উদ্বিগ্ন বাবা-মা, ভাইবোন ও অভিভাবকেরা ক্যাম্পাসের বাইরে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারা কয়েকজন শিক্ষার্থীর চোখেমুখে ছিল আতঙ্কের ছাপ।
এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, 'আমি একটি বিল্ডিংয়ের সপ্তম তলায় ক্লাসে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশের বিল্ডিংয়ের নিচতলায় প্লেন বিধ্বস্ত হতে দেখি। সেখানে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের ক্লাস চলছিল। বিকট শব্দের পর পুরো এলাকায় আগুন ধরে যায়। বিল্ডিং থেকে শিক্ষার্থীদের চিৎকার পাচ্ছিলাম। আমরা তাড়াতাড়ি আমাদের বিল্ডিং থেকে নেমে আসি।'
বাইরে অপেক্ষারত একজন বাবা বলেন, ছেলের সাথে ফোনে কথা হয়েছে, কিন্তু এখনো ওকে খুঁজে পাইনি।
দুর্ঘটনাস্থলে বহু মানুষ ভিড় করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের ভিড় সামলাতে দেখা যায়।






