দেশের সর্বউত্তরের জনপদ পঞ্চগড়ে আগাম শীত অনুভূত হচ্ছে। প্রকৃতির মাঝে যখন শীতের আগমন ঘটে, তখনই সবকিছুর মাঝে এক নতুন রূপের আবির্ভাব ঘটে। কুয়াশাছন্ন ভোর, শীতল বাতাস, গাছের পাতায় জমে থাকা বিন্দু বিন্দু শিশির কণা মিলিয়ে এক বিশেষ আকর্ষণ সৃষ্টি করে। শহরের নানামুখী ব্যস্ততার কারণে গাঁও গ্রামের পথ-ঘাট, দিগন্ত জোড়া সবুজ মাঠ শীতের নীরবতায় ঢেকে যায়। সাধারন মানুষ গরম পোশাকে নিজেকে মুড়িয়ে ফেলে। সুর্য কুহেলিকা ডিঙিয়ে উঁকি দেয়। ভোর বেলা জেলার মাঠঘাটে ঘাসের ওপর শিশির জমে থাকতে দেখা যাচ্ছে। রাতের প্রথম প্রহরের গরম থাকলেও শেষ রাতে শীতের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। হিমালয় কাছাকাছি হওয়ায় প্রতিবছর সবার আগে শীত শুরু হয় পঞ্চগড়ে। দিনের বেলা গরম তীব্র মাত্রায় থাকলেও রাতের বেলা অনেকটা কমে আসে। আর কিছুদিন পরই খেজুরের রসে ভিজে থাকা মাটির হাড়ির ঘ্রাণ চারদিকে ছড়িযে পড়বে। এ স্নিগ্ধতা শুধু প্রকৃতিকে নয়, মানুষের হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দেয়। শীতের আভাসে প্রতিটি সকাল, প্রতিটি রাত হয়ে ওঠে শান্তিময় এবং মুগ্ধকর।