বগুড়ায় আদালতের নির্দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেনের লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের তেলীহাটা মধ্যপাড়া এলাকায় কবরস্থান থেকে তার লাশ তোলা হয়।
নিহত সাব্বির হোসেন গাবতলী উপজেলার তেলিহাটা মধ্যপাড়া এলাকার শাহিন আলমের ছেলে। সে সুখানপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিল। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর স্থানীয় লোকজনের সাথে আনন্দ মিছিলে অংশ নেয় সাব্বির। মিছিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে সোনাতলা উপজেলার শিহিপুর এলাকায় পৌঁছালে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এরপর সাব্বিরের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করে পরিবার। এর পর ১৫ আগস্ট নিহত সাব্বিরের বাবা শাহিন আলম বাদি হয়ে সোনাতলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এতে সারিয়াকান্দি-সোনাতলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা সাহাদারা মান্নান ও সোনাতলা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লিটনসহ ২০ জন নামীয় ও অজ্ঞাত ২০-৩০ জনকে আসামি করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু শাহমা ও সোনাতলা থানার ওসি মিলাদুন্নবী। ময়নাতদন্ত শেষে তাদের তত্ত্বাবধানেই সাব্বিরের লাশ ফের দাফন করা হয়।
ওসি মিলাদুন্নবী বলেন, সাব্বির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বাবা। যেহেতু সেসময় ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের লাশ দাফন করেছিল পরিবার- তাই তদন্তের স্বার্থে লাশটি ময়নাতদন্তের আদেশ দেন আদালত।





