জামালপুরের ইসলামপুর সদর ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় টিআর-কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পগুলোর অধিকাংশই কাগজে-কলমে শতভাগ বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইসলামপুর সদর ইউনিয়নে ১৪টি প্রকল্পের বিপরীতে ২৬ লাখ ১৭ হাজার ৮৬ টাকা ও ৪৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। সঠিকভাবে কাজ হওয়ায় কয়েকটি প্রকল্পের বিল ছাড় করলেও অনিয়মের কারণে একটি প্রকল্পে আংশিক বরাদ্দ ফেরত পাঠনো হয়েছে। তবে ওই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ইঞ্জু প্রকল্পের কাজ হয়নি মর্মে দূর্নীতি দমন কমিশনে একটি অভিযোগও করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে নগদ টাকা (কাবিটা) এবং টেষ্ট রিলিফ (টিআর) এর প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ইসলামপুর সদর ইউনিয়নে ১৪টি প্রকল্পের তালিকা করা হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা ও চাল কাজ না করেই কাগজে-কলমে শতভাগ বাস্তবায়ন দেখিয়ে সিংহভাগ আত্মসাত করেছে সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পচাবহলা ডিসিসিআর রাস্তা থেকে খালেকের বাড়ি-কেরামতের হয়ে বাড়ি-বারেকের বাড়ির রাস্তা মেরামত প্রকল্পে ৩ লাখ টাকা ও পাঁচবাড়িয়া আসাদুজ্জামানের বাড়ি-কাঁচিহারা ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত রাস্তা মেরামত প্রকল্পে ৩ লাখ টাকা কাবিটা। এছাড়া কাঁচিহারা ঈদগাহ মাঠে মাটি ভরাট ও নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটের জন্য একই অর্থবছরে দু’টি প্রকল্প দেখিয়ে টিআর-কাবিখা-কাবিটার ৩ লাখ টাকা, ১০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এছাড়া পচাবহলা জামেদ আলী দাখিল মাদারাসা থেকে লেবু মিয়ার বাড়ির রাস্তা মেরামতের জন্য টিআর প্রকল্পের ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এসব প্রকল্প কমিটির সভাপতি-সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্টদের যোগশাজসে নামেমাত্র কাজ করে সিংহভাগ আত্মসাত করেছে।
চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান চৌধুরী শাহীন বলেন, প্রতিটি প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে করা হয়েছে। কাজ না হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিল ছাড় করত না।
উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু বলেন, প্রকল্পগুলোর কাজ সরেজমিন দেখে বিল দেয়া হয়েছে। একটি প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় উক্ত প্রকল্পের আংশিক বরাদ্দ ফেরত পাঠানো হয়েছে





