জাতীয় নির্বাচনে রাজশাহীর বাগমারায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা চঞ্চলকুমার চন্দ্র (৩২) হত্যার ঘটনায় তাহেরপুর পৌর যুবলীগের সভাপতি মাসুদ রানাকে আটক করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় তাহেরপুর হরিতলা মোড় থেকে সাদা পোশাকধারী পিবিআই সদস্যরা তাকে আটক করে বলে তাহেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লুৎফর রহমান নিশ্চিত করেন। এর আগেও সর্বহারা সদস্য মাসুদ রানা অস্ত্রসহ একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর-৪ (বাগমারা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক ও মনোনয়নবঞ্চিত তাহেরপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌরমেয়র আবুল কালাম আজাদের সমর্থকদের মধ্যে গত বছরের ১ ডিসেম্বর তাহেরপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষের সময় সর্বহারা সদস্য মাসুদের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন হামলাকারী তাহেরপুর পৌরসভা যুবলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য চঞ্চলকুমার চন্দ্রকে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।

 

চঞ্চল তাহেরপুর পৌরসভার জেলেপাড়া (হলদারপাড়া) মহল্লার নরেনচন্দ্র পিয়নের ছেলে।
ওই দিনই তাহেরপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তাহেরপুর ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মাহাবুর রহমান বিপ্লবসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছিল। পরে চঞ্চল হত্যা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এ মামলায় গত রোববার তাহেরপুর পৌর যুবলীগের সভাপতি মাসুদ রানাকে পিবিআই আটক করেছে।