মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (দারিয়াপুর) চিকিৎসক ও কর্মচারী সঙ্কটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। এখানে কোনো ধরনের অপারেশনের ব্যবস্থা এবং এক্স-রে মেশিন নেই। রোগীদের রোগ নির্ণয়ে প্রাথমিক যেসব পরীক্ষা অত্যাবশক তার কোনো ব্যবস্থা নেই।
১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। উপজেলা সদরে জমি না পাওয়ায় দারিয়াপুর দরবার শরিফের পীর হজরত মাওলানা শাহ্ সুফি তোয়াজ উদ্দিন আহম্মদ (রহ:)-এর জমিতে শ্রীপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়। ২০১৩ সালে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মরহুম প্রফেসর ডা: এম এস আকবর এটিকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যার ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। আট কোটি ২৭ লাখ ২৯ হাজার ৬৪৬ টাকা ব্যয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির কাজ শুরু হয়। নির্মাণ শেষে ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয় ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের পর উপজেলার এক লাখ ৬৬ হাজার ৭৮৯ জন জনসংখ্যার জনগণের যে সেবা পাবার কথা এলাকাবাসী সে সেবা থেকে বঞ্চিত।
উপজেলার একমাত্র ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০টি বিভাগে চিকিৎসক থাকার কথা ১৮ জন। সেখানে আছে পাঁচজন। ১০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (জুনিয়র কনসালট্যান্ট) মধ্যে আছেন একজন। ১২৭ জন জনবলের মধ্যে তৃতীয় শ্রেণীর ২২ জন ও চতুর্থ শ্রেণীর ১৪ জনের পদ শূন্য। চিকিৎসক ও কর্মচারী সঙ্কটে এখানকার স্বাস্থ্যসেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে।
পীরজাদা হজরত মাওলানা আবু তালহা বলেন, ‘আমার মরহুম দাদা পীর সাহেব কেবলা হজরত মাওলানা শাহ্ সুফি তোয়াজ উদ্দিন আহম্মদ (রহ:) আশা ছিল অদূর ভবিষ্যতে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি আধুনিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে উঠবে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রঈসউজ্জামান জানান, ডিজির মাধমে জেলা পর্যায়ে কথা বার্তা চলছে এখনো সমাধান হয়নি।
শ্র্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সঙ্কট : সেবাবঞ্চিত এলাকাবাসী
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (দারিয়াপুর) চিকিৎসক ও কর্মচারী সঙ্কটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। এখানে কোনো ধরনের অপারেশনের ব্যবস্থা এবং এক্স-রে মেশিন নেই। রোগীদের রোগ নির্ণয়ে...





