করোনা পরিস্থিতিতে জয়পুরহাট চিনিকলের শ্রমিকদের তিন মাস ধরে বেতন বন্ধ। ফলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা। মজুদ চিনি বিক্রি করতে না পারায় মিলের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ রয়েছে। চিনি বিক্রি হলে শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধ করা হবে বলে জনিয়েছে চিনিকল কর্তৃপক্ষ।
গত মৌসুমে জয়পুরহাট চিনিকলে ৫৪ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে সাড়ে তিন হাজার মেট্রিক টন চিনি ও দুই হাজার মেট্রিক টন চিটাগুড় উৎপাদন হয়। মৌসুম শেষে এখনো মজুদ আছে ১১ কোটি টাকার চিনি ও পাঁচ কোটি টাকার চিটাগুড়।
জয়পুরহাট চিনিকলে এক হাজার শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছে। উৎপাদিত চিনি ও গুড় বিক্রি করেই তাদের বেতনভাতা পরিশোধ করা হয়; কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে মজুদ চিনি ও গুড় বিক্রি করতে না পারায় তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে বেতনভাতা। বেতন পাওয়ার নিশ্চয়তা না থাকায় ক্ষোভ জানিয়েছেন, জয়পুরহাট চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সহসাধারণ সম্পাদক জহুরুল হক জুয়েলসহ অন্য শ্রমিক নেতারা।
চিনিকলের ব্যপস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ আবু বকর জানান, অর্থসঙ্কটে বেতন দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। চিনি ও গুড় বিক্রি হলে শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধ করা হবে। এ ছাড়াও কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন বাবদ প্রায় দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে বলেও জানান তিনি।