নওগাঁর আত্রাইয়ে চাঞ্চল্যকর রফিকুল ইসলাম (৬৮) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে আত্রাই থানা পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় পুলিশ সুমন হোসেন (২৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে।

তিনি উপজেলার খোলাপাড়া গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে। সোমবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতকে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সুমন হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিতে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দী দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোসলেম উদ্দিন বলেন, সুমনের দেয়া তথ্য মতে, কয়েক বছর আগে আত্রাই বেইলি ব্রিজের উত্তর পাশে এম আর এস সু গ্যালারী দোকান করার সময় রফিকুল ইসলামের কাছে থেকে তিনি দুই লাখ টাকা ধার নেয়। সুমন এক লাখ টাকা পরিশোধ করলেও বাকি এক লাখ টাকা না দিয়ে আজ কাল করে বছর পার করে দেন। রফিকুল টাকার জন্য চাপ দিলে তিনি গত শনিবার টাকা দেয়ার দিন ধার্য্য করেন।

গত ৫ অক্টোবর সোমবার সুমনসহ চারজন গোপন মিটিং করে টাকা যেন না দিতে হয় সেজন্য রফিকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। টাকা দেয়ার দিন শনিবার রাতে আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে সুমন মোবাইল করে তার দোকান থেকে রফিকুলকে টাকা নিয়ে যেতে বলেন। এরপর তিনি দোকানে ঢোকামাত্র শার্টার নামিয়ে সুমনসহ কয়েকজন মিলে তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। তারপর লাশ বস্তাবন্দী করে দোকানের নিচে কয়েক ঘণ্টা গোডাউনে রাখা হয়। রাত গভীর হলে তারা বস্তাবন্দি লাশ আত্রাই নদীতে ফেলে দেয় বলে জানায়।

ওসি আরো বলেন, নিহত রফিকুল ইসলামের স্ত্রী দৌলতুন্নেছার হত্যা মামলার ভিত্তিতে আমরা হত্যার সাথে জড়িত সুমনকে গ্রেফতার করেছি। গ্রেফতারকৃতকে সোমবার দুপুরে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।