নওগাঁর মান্দায় কালোবাজারে বিক্রির জন্য মজুদ করে রাখা কৃষি প্রণোদনার ১২৫ বস্তা সার ও বীজ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন উপজেলা স্বেছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪৮ বস্তা ডিএপি, ২১ এমওপি (পটাশ) ও ৬৬ বস্তা ধানের বীজ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় উপজেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে থানায় মামলা হবে বলে জানায় পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কৃষি প্রণোদনার সার ও বীজ দুটি ভ্যানে করে তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের মেম্বার আতাউর রহমান বড়কৈ গ্রামের মাহমুদুল হকের বাসায় নিয়ে যান। সন্দেহজনক হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, এসিল্যান্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন স্থানীয়রা।
এ প্রসঙ্গে ইউপি সদস্য আতাউর রহমান বলেন, ‘ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তারের পরামর্শে প্রণোদনার তালিকাভুক্ত কৃষকের কার্ডগুলো সংগ্রহ করেছি। সংগ্রহকৃত কার্ডগুলো দিয়ে কৃষি দফতর থেকে সার ও বীজ উত্তোলন করি। পরে উত্তোলনকৃত সার-বীজ দুটি ভ্যানে করে বিক্রির জন্য মাহমুদুলের বাসায় নিয়ে যাই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হালিম বলেন, কৃষি প্রণোদনার সার বীজ কালোবাজারে বিক্রির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করবে কৃষি বিভাগ।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন জানান, কৃষি প্রণোদনার সার ও বীজ মজুদ অবৈধ এবং ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বাড়িতে কৃষি প্রণোদনার সার ও বীজ
নওগাঁর মান্দায় কালোবাজারে বিক্রির জন্য মজুদ করে রাখা কৃষি প্রণোদনার ১২৫ বস্তা সার ও বীজ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে...





