নওগাঁর পতœীতলায় পারিবারিক সমস্যা সমাধানের নামে থানায় এনে সালিসি বৈঠকের মাধ্যমে কৃষক হামিদুর রহমানকে (৪৫) নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ওসি শামছুল আলমের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার হামিদুর রহমানকে বুধবার ভোর রাতে রাজশাহী মেডিক্যালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় বুধবার সকালে নিহতের স্বজনরা ওসি শামছুল আলমের বিচার দাবিতে পতœীতলা থানা চত্বরে অবস্থান নেন।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পতœীতলা উপজলোর বোরাম গ্রামের হামিদুর রহমানের সাথে তার স্ত্রী ফাহিমার পারিবারিক দ্বন্দ্ব দেখা দিলে হামিদুর কয়েক দিন আগে তার স্ত্রীকে তালাক দেন। এ ঘটনায় ফাহিমা প্রায় ১০ দিন আগে হামিদুরের বিরুদ্ধে পতœীতলা থানায় অভিযোগ করেন। পতœীতলা থানা পুলিশ ২৫ এপ্রিল হামিদুরকে বাড়ি থেকে ডেকে থানায় নিয়ে আসে। থানায় সালিসি বৈঠকে হামিদুর তার স্ত্রীকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালে থানার ওসি শামছুুল আলম ক্ষিপ্ত হয়ে হামিদুরের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালান।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য একাধিকবার ওসি শামছুল আলমের মোবাইলে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
নওগাঁর অতরিক্তি পুলিশি সুপার রাকিবুল আক্তার বলেন, মৃত হামিদুরের স্বজনরা থানার ওসির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছেন। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। কী কারণে হামিদুরের মৃত্যু হয়েছে তা জানতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে জানা যাবে ওসি এই মৃত্যুর ঘটনার সাথে জড়িত কি না।