নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ফের বসুর হাট পৌর মেয়র, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাই আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী নেতারা পাল্টাকর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

শনিবার দুপুরে কাদের মির্জার অনুসারী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যেগে রোববার বিকেল ৩টায় বসুরহাট পৌরসভা চত্বরে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেয়। বিপরীতে কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ সাবেক উপজেলা চেয়রম্যান মিজানুর রহমান বাদল অনুসারী সরকারি মুজিব কলেজ ও বসুরহাট পৌরসভা ছাত্রলীগ বসুরহাট বাজারের জিরো পয়েন্টের বঙ্গবন্ধু চত্বরে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের অংশ গ্রহণে পাল্টা ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেয়।

দুইপক্ষই কর্মসূচি সফল করার জন্য তৎপরতা চালাচ্ছে। স্থানীয়রা বলছে, এসব পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে আবারো সহিংসতায় কোম্পানীগঞ্জ উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। সংর্ঘষে দুজন নিহতের রেশ না কাটতেই পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে আবার ও প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো: আলমঙ্গীর হোসেন জানান, দু’পক্ষের পাশাপাশি স্থানে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির কারণে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে। এজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে উভয় পক্ষকে কর্মসূচি পালনে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুটি গ্রুপের মধ্যে বিবদমান দ্বন্দ্বে গত পাঁচ মাস অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দ্বন্দ্বের জেরে এক সাংবাদিকসহ দুটি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সংর্ঘষ পরবর্তী বেশ কয়েকটি মামলাও হয়েছে। দুপক্ষের অনেক নেতাকর্মী নেতা কর্মী কারাগারে রয়েছে। দুপক্ষ কয়েক দিন পরপরই পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞাসহ একাধিকবার ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।