রংপুরের পীরগঞ্জের জাহাঙ্গীরাবাদে শশুর কফিল উদ্দিনকে পুত্রবধূর সাথে পরকীয়ায় বাঁধা দেয়ায় খুন হয়েছেন শাশুড়ী। এ ঘটনায় পুলিশ শশুরকে গ্রেফতার করেছে।
পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরেষ চন্দ্র জানান, উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরাবাদ
মধ্যপাড়া গ্রামের কফিল উদ্দিনের সাথে ৪০ বছর আগে একই ইউনিয়নের পানেয়া গ্রামের পোশাগী বেগমের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই সন্তান আছে। কফিলের ছেলে বহুরুল ইসলাম (৩৫) তার স্ত্রী মনিরা বেগমকে বাড়িতে রেখে ১০ বছর ধরে ঢাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসা-যাওয়া করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয় এরই মধ্যে পুত্রবধূ মনিরার সাথে শ্বশুর কফিল অবৈধ পরকীয়া ও শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।
গত ২৭ মে গভীর রাতে কফিল তার পুত্রবধূ মনিরার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে পোশাগী বেগম। একপর্যায়ে কফিল তার স্ত্রী পোশাগীকে এলোপাতাড়ী মারপিট করলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তিনি মারা যান।
পুলিশ বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
ওসি আরো জানান, এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মীর মোশারফ হোসেন একটি হত্যা মামলা করেছেন। ওই মামলায় শশুর কফিল উদ্দিনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্যান্য অভিযুক্তদেও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।








