গাইবান্ধার সাঘাটায় ঋণ ও সুদের টাকা পরিশোধ করা পরও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাগজ তৈরি করে সুদের টাকা দাবি করছে দাদন কারবারিরা। ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছ তারা। ফলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জুমারবাড়ী ডা: আবদুর রাজ্জাক শিশু নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক রেজাউল করিম।
রোববার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, থানা কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে প্রতিকারসহহ দাদন কারবারিদের আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে রেজাউল করিম বলেন, সুদের সব টাকা পরিশোধের দীর্ঘ প্রায় ২০ মাস পর দাদন কারবারি আশিদুল ইসলাম সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী এলাকার অন্যান্য কারবারি ময়নুল ইসলাম, সমির হোসেন ও খায়রুল ইসলামসহ আরো কিছু লোকজনকে সাথে নিয়ে তাকে আবারো দাদনের সুদের টাকার জন্য মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি-ধমকি দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, দাদন কারবারি আশিদুল ইসলামের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণ ও শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য পিকআপ কিনতে পর্যায়ক্রমে ২০১৭-১৮ সালে মাসিক সুদে প্রায় ৬৫ লাখ নেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে আশিদুলকে সুদ-আসলসহ লভ্যাংশের সম্পূর্ণ টাকা ২০১৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর স্কুলের স্টাফ ও একাধিক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সব হিসাব-নিকাশ চূড়ান্ত করে আশিদুলের পাওনাকৃত সব টাকা পরিশোধ করি। কিন্তু সুদের টাকা পরিশোধের পরও আশিদুল কাগজপত্র জাল করে আবার টাকা দাবি করে। গত ১ জুন আমি বিষয়টি নিয়ে জুমারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম্য আদালতে অভিযোগ দায়ের করি। গ্রাম্য আদালত আশিদুল ইসলামের দাখিলকৃত কাগজপত্রের মূলকপি একাধিকবার নোটিশের মাধ্যমে চাইলেও সে মূল কাগজপত্র গ্রাম্য আদালতে জমা দিতে পারেনি। এলাকার দাদন কারবারিদের সাথে নিয়ে আশিদুল বিভিন্ন সময়ে আমাদের পথরোধ করে তাকে মারধরসহ হত্যার হুমকি দেয়।
গাইবান্ধায় স্বাক্ষর জাল করে সুদের টাকা দাবি
গাইবান্ধার সাঘাটায় ঋণ ও সুদের টাকা পরিশোধ করা পরও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া কাগজ তৈরি করে সুদের টাকা দাবি করছে দাদন কারবারিরা। ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকিও...





