পটুয়াখালী সদর উপজেলার সেহাকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সালমা আক্তার করোনাকালীন শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন পাঠদানে বিশেষ অবদান রাখার জন্য করোনাযোদ্ধা শিক্ষক সম্মাননা পেয়েছেন। সম্প্রতি রাজধানীর আইডিয়াল কমার্স কলেজে শিক্ষাবিষয়ক একটি অনলাইন পোর্টাল এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাকেসহ নির্বাচিত শিক্ষকদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন নায়েমের ফোকাল পারসন অধ্যাপক উম্মে আসমা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তা আজিম কবির। করোনাকালীন পাঠদানকারী শিক্ষকদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে অনলাইন পোর্টালটির নিজস্ব পরিচালিত জরিপ নিয়ে স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়।

উল্লেখ্য, করোনাকালীন সালমা আক্তারের অনলাইন পাঠদান দেশব্যাপী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। সালমা আক্তার ২০০৩ সালে পটুয়াখালীর বাউফলের মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যোগদান করেন। ২০১১ সালে সদর উপজেলার সেহাকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বদলি হয়ে আসেন।

সালসা আক্তার তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, মহান রাব্বুল আলামিন আমাকে যে সম্মান দিয়েছেন এ জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ মানুষকে যা দান করবেন এজন্য তাকে তিনি প্রস্তুত করে নিবেন। করোনাকালীন যখন অনলাইনে পাঠদান শুরু করি বেশির ভাগ মানুষ পাশে থাকলেও কেউ কেউ তিরস্কার করেছেন। কোনো কথায় কান না দিয়ে কাজ করে গেছি। তাই হয়তো আল্লাহ আজ এই সম্মান পাওয়ার তৌফিক দান করেছেন। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।

সালমা আক্তারের বাবা মো: রফিকুল ইসলাম (জুলফু) বাউফলের মাধবপুর বাজারে ব্যবসা করেন। দুই বোনের মধ্যে সালমা বড়। তার স্বামী জাহিদ হোসেন আইন পেশায় জড়িত।