কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিন্টু ফকিরের ওপর গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার বাদি হয়েছেন মিন্টু ফকিরের মা শেফালী বেগম। পুলিশ এ ঘটনার সাথে জড়িত বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। আহত চেয়ারম্যান প্রার্থী মন্টু ফকিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পরিবার দাবি করেছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত ২১ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে কয়েক শ’ সমর্থককে নিয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবলীগ নেতা মিন্টু ফকির মোটরসাইকেলে নির্বাচনে প্রচারণায় বেরিয়েছিলেন। তিনি দোস্তপাড়া বাজারে পৌঁছলে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোমিন মণ্ডলের ভাই মফিজ মণ্ডল ও ছেলেইমনের নেতৃত্বে মিন্টু ফকিরের ওপর আতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে মিন্টু ফকিরসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মিন্টু ফকিরের সমর্থকদের সাথে মোমিন মণ্ডলের সমর্থকদের সংঘর্ষ বেধে যায়। একপর্যায়ে মিন্টু ফকিরের সমর্থকদের তাড়া খেয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মোমিন মণ্ডলের লোকজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। এ সময় গুলিবর্ষণও করা হয়।
ঘটনার পর চেয়ারম্যান প্রার্থী মিন্টু ফকিরের কয়েক শ’ সমর্থক লাঠি সোটা নিয়ে কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক মহাসড়কে অবস্থান নিলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়কে বসে পড়ে তারা হামলার প্রতিবাদ করতে থাকে। এ সময় তাদের হাতে লাঠি ছিল। এতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চালের মোকাম খাজানগর থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া চাল বোঝায় ট্রাকসহ অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোমিন মণ্ডল জানান, আমি ঘটনার সময় এলাকায় ছিলাম না। দোস্তপাড়া মোড়ে আমার অফিসের সামনে মিন্টু লোকজন এসে ও নির্বাচনী অফিসে হামলা করে। এ সময় আমার লোকজন তাদের প্রতিহত করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ মামলার সূত্র ধরে আসামিদের এরই মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে। বটতৈল ইউনিয়নে আগামী ৫ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।





