ফরিদপুরের সালথায় আমিনুল মিয়া নামে এক ভ্যানচালক হত্যার গুজব রটিয়ে প্রতিপক্ষের অন্তত ১৪টি বসতবাড়ি ও একটি ইটের ভাটায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে দু’জন আহত হলে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে ঘটনাটি নিয়ে রোববার বিকেল পর্যন্ত দু’টি পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা চলছিল। উভয় পক্ষের সমর্থকদের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, খারদিয়া বাজারের মোড়ে শনিবার সন্ধ্যায় ভ্যান রাখা নিয়ে যদুনন্দী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক মোল্যার সমর্থক ভ্যানচালক আমিনুল মিয়ার সাথে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়ার সমর্থক ভ্যানচালক সাজ্জাদ শেখের কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে আলমগীর মিয়ার সমর্থকরা বাজারে জড়ো হয়ে ভ্যানচালক আমিনুলকে পিটিয়ে তার পা ভেঙে দেয়। অপর দিকে একই সময় রফিকের সমর্থকরা অপর ভ্যানচালক সাজ্জাদকেও কুপিয়ে জখম করে। পাল্টাপাল্টি হামলায় আহত দু’জনকেই স্থানীয়রা উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এর মধ্যে রাত ৮টার দিকে আমিনুল হাসপাতালে মারা গেছে বলে এলাকায় ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীরের সমর্থকরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে চেয়ারম্যান রফিকের শতাধিক সমর্থক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ১৪টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে। পরে আলমগীরের ইটভাটাও ব্যাপক ভাঙচুর করে তারা।
সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) সুমিনুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কী কারণে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনটি ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই এলাকায় ফের সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সালথায় ভ্যানচালক হত্যার গুজব রটিয়ে ১৪ বাড়িঘর ভাঙচুর
ফরিদপুরের সালথায় আমিনুল মিয়া নামে এক ভ্যানচালক হত্যার গুজব রটিয়ে প্রতিপক্ষের অন্তত ১৪টি বসতবাড়ি ও একটি ইটের ভাটায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করার...





