নাটোরের লালপুরে ভটভটিচালক জুয়েল হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দুইজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শরীফ উদ্দীন এই রায় প্রদান করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৫ জুন দুপুরে ভটভটিচালক জুয়েলকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় তার বন্ধু মাসুদ রানা। পরে রাত ১০টার দিকে জুয়েল ফিরে না এলে পরিবারের লোকজন মাসুদ ও জুয়েলকে খোঁজ করেন। এরপর রাতে মাসুদের ভাই জুয়েলের বাড়িতে গিয়ে সংবাদ দেয়, লালপুরের মঞ্জিলপুকুর কলেজের পাশে সড়কে ডাকাতের হামলায় জুয়েল মারা গেছেন। খবর পেয়ে জুয়েলের বাবাসহ আরো কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মঞ্জিলপুকুর কলেজের পাশে ফাঁকা জায়গায় জুয়েলের ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখে। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান।
এ ঘটনায় নিহত জুয়েলের বাবা জহুরুল ইসলাম রয়েজ মুন্সির ছেলে মাসুদ রানা ও তার দুই সহোদর আয়নাল ও মুকুলকে অভিযুক্ত করে ঘটনার পরদিন লালপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
নাটোর জজ কোর্টের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আরিফুর রহমান বলেন, দীর্ঘ ৬ বছর মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলার অভিযুক্ত মাসুদ রানাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।
এ সময় অপর দুই অভিযুক্ত আয়নাল ও মুকুলের বিরুদ্ধে কোনো স্বাক্ষ্য প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের খালাস প্রদান করেন বিচারক। মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে নিহত জুয়েলের পরিবার।





