উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পরপরই বড় ধরনের গ্রুপিং শুরু হয়েছে খুলনার কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের মধ্যে। যার প্রভাব পড়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও। সাতটি ইউনিয়নে সর্বত্রই গ্রুপিংয়ের রাজনীতি চলছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনটি গ্রুপের সৃষ্টি হয়েছে।
সর্বশেষ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে দলের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মহাসিন রেজা পরাজিত হন। বিদ্রোহী প্রার্থী তৎকালীন যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হন। শফিকুল বিজয়ী হয়েই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর কর্মীদের ওপর অত্যাচার শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খান। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে দলের কর্মীরা নির্বাচিত চেয়ারম্যানের বহিষ্কার দাবি করেন।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাতটি ইউনিয়নের প্রত্যেকটিতে বিদ্রোহী প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও শুধুমাত্র দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হন।
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের মনোনয়নের জন্য চারজন প্রার্থী নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ জিএম মাহাবুবুর আলম, সাবেক সংসদ সদস্য সোহরাব আলী সানা, শেখ রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রেম কুমার ও বর্তমান সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু এ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আশায় সমর্থন বাড়াতে মতবিনিময় ও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম মহাসিন রেজা বলেন, শৃঙ্খলা না থাকায় গ্রুপিংয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
গ্রুপিংয়ের চাপে অস্বস্তিতে কয়রা আওয়ামী লীগের তৃণমূল
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পরপরই বড় ধরনের গ্রুপিং শুরু হয়েছে খুলনার কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের মধ্যে। যার প্রভাব পড়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও। সাতটি ইউনিয়নে...





