নওগাঁর মান্দা উপজেলার ১০ নম্বর নূরুল্যাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: ইয়াছিন আলী প্রামানিকের অপসাণের আদেশ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৩ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর দ্বৈত বেঞ্চের এক আদেশে এ স্থগিতাদেশ দেয়া হয়।

স্থগিতাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে রিট আবেদনকারীর ছেলে ডা. মো: সিদ্দিকুর রহমান প্রামানিক বলেন, আব্বুর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে লড়াই করতে না পেরে তার জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংসের অপচেষ্টায় এ নোংরা রাজনৈতিক কুট কৌশলের আশ্রয় নেয়। পরিষদের কিছু সদস্যদের অনৈতিক দাবি মেনে না নেয়ার কারণে তাদের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে তারা এমন অভিযোগ করে। তারপরও তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ দিয়ে একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে তাকে অপসারণ করা হয়, যা মহামান্য হাইকোর্ট আজ স্থগিত ঘোষণা করেছেন।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান ইয়াছিন আলী প্রামানিক বলেন, হাইকোর্টের জামিনের মেয়াদ শেষ হলে নিয়ম মতো তিনিসহ ১৭ জন জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একটি সাজানো নাশকতার মিথ্যা মামলায় নওগাঁ আদালতে জামিন নিতে যান। আদালত তাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। ওই দিনই জেল হাজতে যাবার সংবাদ পেয়ে তড়িঘড়ি করে তার পরিষদের ১০ জন সদস্য- সদস্যা একজোট হয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হওয়ায় মিথ্যা অভিযোগে দলের সদস্যদের প্রভাবিত করে তদন্ত চালায়। যা তদন্তের নামে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রকাশ। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পরে থেকে পরাজিত প্রতিপক্ষের লেলিয়ে দেয়া ওইসব প্রভাবশালী চিহ্নিত মহলের নানারকম ষড়যন্ত্রের শিকারে পরিণত হয়েছেন। তাই বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে একের পর এক বানোয়াট খবর প্রকাশ করে যাচ্ছেন। মিথ্যা সংবাদ ও প্রভাব খাটিয়ে চালানো মিথ্যা তদন্তের জের ধরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি আমাকে অপসারণ করা হয়েছিল। মহামান্য হাইকোর্ট আমার অপসারণের আদেশ স্থগিত ঘোষণা করেছেন। আশা করা যায়, আমি ন্যায় বিচার পাব ইনশা আল্লাহ্। আমি কোনো অন্যায় ও অনিয়ম দুর্নীতির সাথে কখনোই জড়িত নই।