লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশী যুবক ইউছুফ আলীর (২১) লাশ ৭৮ দিন পর ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
গত ৪ জুন মধ্যরাতে পাটগ্রাম ইউনিয়নের কালিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন ইউছুফ। সীমান্তের ৮৫৭ নম্বর প্রধান পিলারের ১৩ নম্বর উপপিলারের ভারতের সরকারপাড়া ও বাংলাদেশের কালীরহাট সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু পারাপারকারীদের সহায়তায় গরুপারাপারের সময় ভারতীয় কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ১৬৯ রানীনগর বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মীররাপা ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ইউছুফ আলীর পেটে ও হাতে গুলি লেগে ঘটনাস্থলে মারা যায়। ইউছুফের বাড়ি জগতবেড় ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেছেরডাঙ্গা এলাকায়। বাবার নাম শাহ জামাল। শাহ জামাল দাবি করেন তার ছেলে ইউছুফকে ভারতীয় লোকজন ডেকে নিয়ে গেছে। ২৫ দিন আগে ইউসুফের পুত্র সন্তানের জন্ম হয়েছে। কিন্তু ছেলের মুখ দেখে যেতে পারলেন না। জগতবেড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহফুজার রহমান মিলন জানান ইউছুফের বাবার এটাই বড় সান্ত্বনা যে তার ছেলের লাশ ফেরত পেল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সীমান্তে নিহতের লাশ ফেরত চেয়ে ইউছুফের বাবা শাহ জামাল ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নে আবেদন করেন। বিজিবি উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে। যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর গত দুই-তিন দিন আগে লাশ ফেরত দেয়ার কথা জানায় বিএসএফ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় সীমান্তের ৮৬৮ নম্বর প্রধান ও ৩ নম্বর উপপিলারের নিকট দিয়ে ইউছুফের লাশ ফেরত দেয়া হয়।