বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরই) মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার বলেন, আমরা কৃষিতে পাহাড়কে বদলে দিতে চাই। চন্দ্রঘোনাস্থ রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন জাতের ফল এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে বছরের পর বছর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই অঞ্চলের কৃষকরা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন কৃষি সেক্টরে।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে কাপ্তাই রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা ‘উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত আনসার ক্যাম্প উদ্বোধন এবং বারি উদ্ভাবিত বিভিন্ন জাতের ফল ও সবজির চারা-কলম এবং বীজ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা বলেন।
রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএআরই-এর পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. ফেরদৌসী ইসলাম, পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. দিলোয়ার আহমেদ চৌধুরী এবং কফি ও কাজুবাদাম গবেষণা সম্প্রসারণ প্রকল্পের বারি অংগের প্রকল্প সমন্বয়ক ড. আলতাফ হোসেন। এ সময় বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মহাপরিচালক আরো বলেন, পাহাড় অঞ্চলে ফল এবং জুম চাষকে সমৃদ্ধ করার জন্য এই অঞ্চলের উপযোগী বিভিন্ন জাত উদ্ভাবন করে আমাদের গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
পরে মহাপরিচালক রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ২নং ব্লকে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন এবং কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে ‘পার্বত্য অঞ্চলে বারি উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফল উৎপাদনের আধুনিক কলাকৌশল’ শীর্ষক কৃষক প্রশিণের উদ্বোধন করেন। এতে কাপ্তাই, রাজস্থলী এবং রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ৬০ জন কৃষক অংশ নেন।

