‘মিধিলি’র প্রভাব কাটতে না কাটতেই আবারো মিগজাউমের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে ঢাকার দোহার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিচু ফসলি জমিতে পানি জমে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে রবি শস্য মারাত্নকভাবে হুমকির মধ্যে পড়েছে। আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন এই এলাকার কৃষক-কৃষাণীরা।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মিগজাইমের প্রভাবে বুধবার রাত থেকে দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে সারাদেশের মতো দোহারেও প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। অতি বৃষ্টির কারণে সদ্য বপনকৃত নিচু এলাকার কৃষি জমি এখন পানির নিচে। রবি মৌসুমে এ অঞ্চলের কৃষকেরা সাধারণত সরিষা, ধনিয়া, খেসারি, কালোজিরা ও গম বপন করে থাকেন। কার্তিকের মাঝামাঝি থেকে অগ্রায়নের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের ফসল বপন করে থাকে। কোনো কোনো জমিতে সরিষায় ক্ষেতে ফুল আসতে শুরু করেছে। কিন্ত বৃষ্টিতে সরিষার গাছের উপর পানি পড়ার কারণে গাছ নুয়ে পড়েছে। অন্যদিকে জমিতে পানি জমে ফসল পচে নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
দোহার উপজেলার চরকুশাই এলাকার কৃষক আব্দুল সালাম জানান, এক বিঘা জমিতে ধনিয়া বপন করেছিলাম। কিন্তু অতিবৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে আছে । যার ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। এ পানি অন্যত্র সরানোর ব্যবস্থা না থাকায় কিঞ্চিত সম্ভাবনাও নেই।
নিকড়া এলাকার এমদাদ মোল্লা জানান, বোরো ধানের জন্য বীজতলা তৈরি করে এক মণ ধানের চারা ফেলেছিলাম। বৃষ্টির কারণে তা তলিয়ে গেছে। ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় ধানের বীজ ফেলার প্রস্তুতি নিতে হবে।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আক্তার হোসেন ফুয়াদ জানান, যে বৃষ্টি হয়েছে তাতে ফসলের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার কথা নয়। বরঞ্চ ফসলের জন্য বৃষ্টি উপকার হবে বলে মনে করেন তিনি।





