হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নের আলোনিয়া গ্রামে শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবর মিলে অমানবিক নির্যাতন করে ও কুপিয়ে জখম করেছে তানহা জান্নাত সুমা (৩০) নামের এক গৃহবধূকে। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলার শিকার গৃহবধূকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ওই গৃহবধূর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সোমবার বিকেলে উপজেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. সাঈদ ইমরান জানান, গৃহবধূর বাম হাত ভেঙেছে এবং মাথায় ৯টি সেলাই দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা চলছে, এখনো শঙ্কামুক্ত নয়।
আহত গৃহবধূ মিরাশি ইউনিয়ের আলোনিয়া গ্রামের মোশাহিদ মিয়ার স্ত্রী এবং একই এলাকার ফারুক মিয়ার মেয়ে । জানা যায়, গত রোববার সকালে বাচ্চাকে শাসন করা নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে দেবর, শ্বশুর ও শাশুড়ি তাকে অমানবিক নির্যাতন করে। আহত গৃহবধূর মা নাছিমা খাতুন জানান, আমার মেয়েকে ১৩ বছর আগে আলোনিয়া গ্রামের ছাবু মিয়ার ছেলে মোশাহিদ মিয়ার সাথে বিয়ে দেই। তাদের দাম্পত্য জীবনে তিন কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করে। ইদানীং তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবরের হাতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে আমার মেয়ে সুমা। আমার মেয়েকে হত্যার জন্য অমানুষিক নির্যাতন করেছে আমি এর বিচার চাই। এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছিল।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ওসি হিল্লোল রায় বলেন, গৃহবধূ তানহা জান্নাত সুমাকে মারধরের ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আমাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। এ বিষয়ে সুমার স্বামী মোশাহিদ মিয়া বলেন, আমি বাড়িতে ছিলামনা। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে আমার জানা নেই।
চুনারুঘাটে গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম, অবস্থা আশঙ্কাজনক
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নের আলোনিয়া গ্রামে শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবর মিলে অমানবিক নির্যাতন করে ও কুপিয়ে জখম করেছে তানহা জান্নাত সুমা (৩০) নামের এক...





