শ্রীনগর ড্রেজার ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে পাটাভোগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রমিজ উদ্দিন বেপারী ও তার ভাইসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় ৩১ জনকে এজাহার নামীয় আসামি করে মামলা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রমিজ বেপারীর ছেলে মো: রুবেল শ্রীনগর থানায় মামলাটি করেন। এর আগে গত রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শ্রীনগর-দোহার সড়কের বাইপাস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।
পুলিশ জানায়, মামলার এজাহারভুক্ত ৩১ জন আসামির মধ্যে ফয়সাল (৩০), তারেক (৩৫), পিয়াস (২৫), জাবির (২৪), বাবু (২২), শাহিন (২৫), শাহজাহান (২৬), মহাদেব (২১), নয়ন খালাসী (২১) ও সাগরকে (২১) শ্রীনগর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে।
স্থানীয়রা জানায়, পাটাভোগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রমিজউদ্দিন বেপারীর ভাইয়েরাসহ কামার খোলা এলাকার কয়েকজন মিলে পূর্ব কামারখোলা এলাকায় বালু ভড়াটের জন্য ড্রেজারের লাইন বসাচ্ছিল। এ সময় পশ্চিম কামারখোলা এলাকার দিল বেপারীর ছেলে ফয়সালের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন মিলে ড্রেজারের লাইন টানার কাজে বাধা দেয় এবং সেখানে ফয়সালের লোকজন ড্রেজার বসাবে বলে জানায়। বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাইপাস এলাকায় আলোচনায় বসে। আলোচনা ফলপ্রসু না হওয়ায় সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে সেখান থেকে ফয়সাল গ্রুপের লোকজন চলে যায়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফের ফয়সালের নেতৃত্বে তার বাহিনীর লোকজন মোটরসাইকেলের পাটাভোগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রমিজ উদ্দিন বেপারী (৬০), তার ভাই দেলোয়ার বেপারী (৫০) ও একই এলাকার জমির উদ্দিনের ছেলে স্বপনকে (৫০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা তাদের তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করে।
শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর বলেন, অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজনসহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে শ্রীনগর থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ১০ জনকে মুন্সীগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।





