প্রায় একবছর ধরে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। ইতোমধ্যে ৪১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার নেতানিয়াহু বাহিনী। তবে এত হত্যা ও ধ্বংসকাণ্ড চালালেও তাদের টার্গেট কিন্তু আরেকজন। দীর্ঘদিনের এই যুদ্ধে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদল হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইসরাইলি সেনারা। তাদের সাথে স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি তিনি জীবিত নাকি মৃত, তা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি ইসরাইলি গোয়েন্দারা।
তবে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াহিয়া সিনওয়ার লোকচক্ষুর আড়ালে। মাস দুয়েক আগে ইসরাইলি হামলায় ইসমাইল হানিয়া প্রাণ হারালে হামাসের হাল ধরেন তিনি। এত বড় দায়িত্ব নেয়ার পরও তিনি প্রকাশ্যে আসেননি। এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ইসরাইলি গণমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত হতে পারেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও তদন্ত করছে। তবে তার মৃত্যু নিশ্চিত করার মতো শক্ত কোনো প্রমাণ তাদের হাতে এখনো নেই।
খবর অনুযায়ী, ইয়াহিয়া সিনওয়ার দীর্ঘ সময় লোকচক্ষুর আড়ালে। বিষয়টি মোটেও স্বাভাবিক নয়। এ কারণে তার মৃত্যু ঘিরে আরো জল্পনা-কল্পনা ডালপালা মেলেছে। ইসরাইলি সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম কান, হারেৎজ, মারিভ ও ওয়াল্লা নিউজের মতো সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, গাজায় বিমান হামলার সময় ইয়াহিয়া সিনওয়ার নিহত হয়েছেন-এ ধরনের একটি সম্ভাবনা নিয়ে তদন্ত করছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টরেট। তবে ইসরাইলি অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের ধারণা, ইয়াহিয়া সিনওয়ার এখনো বেঁচে আছেন। তবে তিনি চুপ-চাপ আছেন।



