আধুনিক সামরিক ড্রোন তৈরি করে বিশ্বকে প্রথম চমকে দিয়েছিল ইসরাইল। শত্রুতা ভুলে সেই ইহুদি রাষ্ট্র থেকে মানববিহীন উড়–ক্কু যান কেনার আগ্রহ ছিল তুরস্কের। সব যখন প্রায় ঠিক, তখনই বাদ সাধল ইসরাইলের দেয়া শর্ত। ফলে বাতিল হয় ওই ড্রোন চুক্তি। সামরিক ড্রোন বিক্রির ক্ষেত্রে ইসরাইল শর্ত দিয়েছিল, তাদের সেনারাই সেগুলোকে পরিচালনা করবে। কারণ মানববিহীন এই হাতিয়ার আকাশে উড়ানোর মতো ক্ষমতা বা প্রশিক্ষণ নেই তুরস্কের। এ শর্তে আঙ্কারা ইসরাইলের মতলব বুঝতে পেরে চুক্তি বাতিল করে।
ইসরাইলের সাথে চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পরই ঘরের মাটিতে সামরিক ড্রোনের হাব তৈরির পরিকল্পনা করে ফেলে তুরস্ক। যাতে মিশে ছিল ইহুদিদের অপমানের জবাব দেয়ার প্রতিজ্ঞা। সেখানকার প্রযুক্তিবিদ ও প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীদের প্রচেষ্টায় কয়েক দশকের মধ্যে সবাইকে ছাপিয়ে যায় ইউরোপ-এশিয়ার সঙ্গমস্থলের এই দেশ। সম্প্রতি তুরস্কের সামরিক ড্রোন নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে ‘সেন্টার ফর এ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটি’ (সিএনএএস) নামের একটি সংস্থা।
সেখানে বলা হয়েছে, সামরিক ড্রোনের ক্ষেত্রে আমেরিকা, চীন ও ইসরাইলের কাছ থেকে কয়েক যোজন এগিয়ে রয়েছে আঙ্কারা। যা যেকোনো যুদ্ধের গতি ঘুরিয়ে দিতে পারে।