ইরাকে শিয়া নেতা মুক্তাদা আল সদর বলেছেন, তিনি কোনোভাবেই আর কোটার ভিত্তিতে গঠিত সরকারব্যবস্থার প্রতি সমর্থন দেবেন না। ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের পর দেশটির সরকারে বিভিন্ন গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে কোটার ভিত্তিতে সরকার গঠন করা হয়েছিল মার্কিন কূটনীতিক পল ব্রেমারের তত্ত্বাবধানে।
দেশটিতে নতুন সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে। আদালত হাতে গোনা ভোটের ফলাফল প্রত্যয়ন করলে নির্বাচিত পার্লামেন্ট সদস্যরা প্রথমবারের মতো অধিবেশনে বসবেন। গত মে মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মুক্তাদা আল সদরের নেতৃত্বাধীন জোট সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছিল। পরে সরকার গঠনের জন্যও তারা আরেকটি জোটের সাথে ঐক্য করে।
২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে হামলা চালানোর পর থেকে দেশটিতে ব্যাপক মাত্রায় অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছিল। ২০০৪ সালে কূটনীতিক পল ব্রেমারের তত্ত্বাবধানে দেশটিতে ‘কোয়ালিশন প্রোভিনশিয়াল অথরিটি’ নামে যে সরকার গঠিত হয়েছিল তাতে প্রেসিডেন্টের পদ নির্ধারিত রাখা হয়েছিল একজন কুর্দির জন্য, প্রধানমন্ত্রী পদ নির্ধারিত ছিল একজন শিয়া মুসলমানের জন্য এবং স্পিকারের পদ সংরতি ছিল সুন্নি মুসলমানের জন্য।
গত শনিবার এমনভাবে গঠিত সরকারকে সব দুর্নীতির মূল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন মুক্তাদা আল সদর। সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক পদ গ্রহণ না করলেও তিনি ইরাকের সবচেয়ে প্রভাবশালী শিয়া নেতা। সদর তার টুইটার অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘আমরা আবার শুরুর সময়ে ফিরে যেতে চাই না। আবারো গোত্র, দুর্নীতি, গোষ্ঠী ও কোটা ব্যবস্থার দিকে আর ফিরে যাওয়াও সম্ভব নয়। তারা যদি আবারো সেই দিকে যাওয়ার কথা ভেবে থাকেন তাহলে আমরা তাদের সাথে যাবো না। আমার এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাব।’
ইরাকে সরকার গঠনে কোটা মানতে নারাজ মুক্তাদা আল সদর
ইরাকে শিয়া নেতা মুক্তাদা আল সদর বলেছেন, তিনি কোনোভাবেই আর কোটার ভিত্তিতে গঠিত সরকারব্যবস্থার প্রতি সমর্থন দেবেন না। ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের পর দেশটির সরকারে...



