পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান বলেছেন, ক্ষমতাসীন জোট ‘পাকিস্তানের জনগণকে’ নিয়ন্ত্রণের সব চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ার পরে এখন পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন-ইসিপির মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট চুরি করার চেষ্টা করছে।
ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে বিভিন্ন শহরে ইসিপি অফিসের বাইরে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীদের সম্বোধন করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, শক্তিশালী গণতন্ত্রের মাধ্যমে ‘প্রকৃত স্বাধীনতা’ অর্জনে নির্বাচনের তদারককারী ইসিপি বড় বাধা। তিনি বলেন পাঞ্জাবের উপনির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পরে তারা (বর্তমান সরকার) এখন নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে।’
ইমরান বলেন, নির্বাচনী সংস্থাটি তার সীমা ছাড়িয়ে পিএমএল-এন প্রতিনিধিদলের সাথে দেখা করেছে। যেখানে ক্ষমতাসীন জোটের নেতারা পিটিআইয়ের বিরুদ্ধে আনা নিষিদ্ধ তহবিলসংক্রান্ত মিথ্যা মামলায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে রায় ঘোষণার জন্য ইসিপিকে অনুরোধ করেছেন। তিনি দাবি করেন, সরকার ভয়ভীতি দেখিয়ে জনগণকে স্তব্ধ করতে না পেরে এখন ইসিপির মাধ্যমে নির্বাচনে কারচুপি করে তাদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, আমি ইভিএম চালু করেছি যাতে গোপন হাত নির্বাচনে কারচুপি করতে না পারে। কিন্তু সরকারের সাথে ইসিপি আমাদের ইভিএম চালু করার পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছে। নিষিদ্ধ তহবিল মামলায় ইসিপির রায়ের বিষয়ে পিটিআই প্রধান বলেন, প্রবাসী পাকিস্তানিদের কাছ থেকে তহবিল পাওয়া বিদেশী তহবিল নয়। ইসিপি ‘ভুলভাবে’ প্রবাসীদের অনুদানকে বৈদেশিক তহবিল বলে অভিহিত করেছে।
ইমরান অভিযোগ করেন, ‘দুই মাফিয়া’ তাদের রাজনৈতিক প্রচারাভিযানে অর্থায়নের জন্য অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ ব্যবহার করে। ‘কারণ কেউ তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অর্থ দান করবে না’। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আরো ব্যাখ্যা করেন, দলগুলিকে কোম্পানি থেকে তহবিল পেতে বাধা দেয়ার আইনটি ২০১৭ সালে প্রণীত হয়েছিল। কিন্তু পিটিআই ২০১২ সালে তহবিল পেয়েছিল, তাই ‘কোনো বে-আইনি কাজ করা হয়নি’।