আলাদা তিনটি মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ৩১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। গত ৮ ফেব্রুয়ারির জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এসব দণ্ড দেয়া হয় তাকে। এসব কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন ইমরান। গত শুক্রবার ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির পক্ষে তাদের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ আলী জাফর দু’টি আপিল দাখিল করেন। শুক্রবার ইমরানের আইনজীবী লতিফ খোসা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এরপর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) এক্স অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়।
সেখানে লতিফ খোসা বলেন, ‘গোপন তারবার্তা ফাঁস (সাইফার) এবং তোশাখানা দুর্নীতি মামলার কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট এবং অনৈসলামিক বিয়ের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে একটি বিচারিক আদালতে আপিল করা হয়েছে।’ ২০২৩ সালের আগস্টে তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় ইমরানকে অভিযুক্ত করা হয়। ওই মামলায় অভিযোগ করা হয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগার তোশাখানায় থাকা উপহার নিয়ে সেগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন ইমরান খান। এরপর জানুয়ারিতে এই তোশাখানা মামলায় তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
এরপর গোপন তারবার্তা ফাঁসের মামলায় ইমরানকে আরো ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এই মামলায় অভিযোগ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কাছ থেকে পাঠানো সরকারি গোপন নথি ফাঁস করেছেন ইমরান। এর মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছেন তিনি।
সাইফার ও তোশাখানা মামলা
কারাদণ্ডাদেশ চ্যালেঞ্জ করে ইমরান-বুশরার আপিল
আলাদা তিনটি মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ৩১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। গত ৮ ফেব্রুয়ারির জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এসব...



