মিয়ানমারে সামরিক জান্তার আগ্রাসন ও কঠোর নিয়ন্ত্রণে দেশটি ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হচ্ছে বিশ্ব থেকে। ইন্টারনেট পরিষেবা ক্রমেই সীমিত হয়ে আসা এবং বুধবার সর্বশেষ বেসরকারি পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সামরিক শাসনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদের আয়োজন ও সংবাদ জানানোর সুযোগ কমে এসেছে। তথাপি সেনাশাসনের প্রতিবাদে দেশটিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে বিক্ষোভ দমনে সহিংস অবস্থানে আছে মিয়ানমারের সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সামরিক জান্তার অনুগত বাহিনীর সহিংসতায় এই পর্যন্ত ২১৭ জন নিহত হয়েছেন বলে মানবাধিকার সংস্থা অ্যাসিসটেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস জানায়। তবে প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

১ ফেব্রুয়ারি তাতমাদাও নামে পরিচিত মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থান ঘটায় এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিসহ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করে। সাথে সাথে দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিতর্কের জেরে এই অভ্যুত্থান ঘটায় সামরিক বাহিনী।

সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের বিভিন্ন শহরেই বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা অং সান সু চিসহ বন্দী রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তির পাশাপাশি সামরিক শাসন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন।

সূত্র : রয়টার্স