সঙ্ঘাতকবলিত মিয়ানমারের হাজারো গ্রামবাসী দেশটির থাই সীমান্তে অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছেন। তারা থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী নদীর ধারে অস্থায়ী তাবুতে অবস্থান নিয়েছেন। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলার ভয়ে তারা ঘরে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন। শনিবার এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। গত বছর মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর দেশটির সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে চলা যুদ্ধে হাজারো বিদ্রোহী ও বেসামরিক ব্যক্তি মারা যান। এছাড়া মিয়ানমারের অসংখ্য নাগরিক দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিতাড়িত হয়ে এখন শরণার্থীর জীবন বেছে নিয়েছেন। এখন তারা মিয়ানমারের বিভিন্ন নিরাপদ অঞ্চল ও তার আশপাশের দেশগুলোতে অবস্থান নিয়েছেন।

মিয়ানমারের অসংখ্য নাগরিক থাইল্যান্ডেও আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু, থাই শরণার্থী ক্যাম্পগুলোর পরিস্থিতি খুবই খারাপ। এ কারণে অনেক বার্মিজ তাদের দেশে ফেরত এসেছেন। তারা মিয়ানমারের থাই সীমান্তে অবস্থান নিয়েছেন। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলার ভয়ে তারা ঘরে ফিরতেও ভয় পাচ্ছেন। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এসব বার্মিজ শরণার্থীদের সাহায্য দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্টাররা জানিয়েছেন, শুক্রবার থাইল্যান্ডের মোরি নদীর ওপারে মিয়ানমারের সীমান্ত অঞ্চলে প্রায় দু’হাজার নারী, শিশু ও পুরুষকে দেখা গেছে অস্থায়ী তাবুতে মানবেতর জীবন যাপন করতে।

সূত্র : আল-জাজিরা