ভারতে বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের বয়স হতে হবে ন্যূনতম ২১ বছর। মেয়েদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সন্তানধারণের বিষয়টি মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভা। এবার এই সিদ্ধান্ত রূপায়ণ করতে শিশু বিবাহ আইন, বিশেষ বিবাহ আইন ও হিন্দু বিবাহ আইনে সংশোধন করবে সরকার। সংসদে তা পাস হওয়ার পর নতুন ব্যবস্থা চালু হবে। ছেলেদের ক্ষেত্রেও বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ বছর।

প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেছিলেন, মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করা হবে। তারপর এনিয়ে নীতি আয়োগের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। ডিসেম্বরে টাস্কফোর্স তাদের রিপোর্ট দেয়। তারা বয়স বাড়াবার পক্ষে মত দেয়। তারপরই মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে। মেয়েরা দেরি করে বিয়ে করলে তার একটা ইতিবাচক প্রভাব পরিবার ও তাদের আর্থিক, সামাজিক ও বাচ্চাদের ক্ষেত্রে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইউনিসেফের রিপোর্ট বলছে, ভারতে প্রতিবছর ১৫ লাখ মেয়ের বিয়ে ১৮ বছরের কম বয়সে হয়। এক্ষেত্রে বিশ্বের মধ্যে এক নম্বরে ভারত। এখানে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী মেয়েদের ১৬ শতাংশ বিবাহিত।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগের থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ের সংখ্যা কমেছে। তবে তা এখনো যথেষ্ট বেশি।

সূত্র : ডয়চে ভেলে