সড়ক দুর্ঘটনা, নৌকাডুবিসহ বহু আতঙ্কের তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে বাসচাপা। অযোগ্য চালক, বেপরোয়া ড্রাইভিংসহ নানা কারণে সড়ক ও মহাসড়কে নিত্যদিনে ঘটছে দুর্ঘটনা। এর পাশাপাশি গাড়িচাপার সম্মুখীন হচ্ছেন পথচারীরা। সর্বশেষ, রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিার্থীদের ওপর বাস তুলে দেয় জাবালে নূর বাস সার্ভিসের চালক। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন শিার্থী নিহত হয়। আহত প্রায় ১২ জন। এর আগে গত ৩ এপ্রিল ঢাকার কাওরান বাজারে তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব বাসচাপায় হাত হারান। কয়েক দিন পরে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এর পরেও বিভিন্ন সময় বেশ কয়েকজন বাসচাপায় আহত হন। ফলে শিার্থীসহ সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের কাছে বর্তমানে গাড়ি চাপা পড়া একটি আতঙ্কের নামে পরিণত হয়েছে।
সম্প্রতি ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুইজন শিার্থী নিহত হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী মিডিয়ায় বিভিন্ন খোঁড়াযুক্তি দেখিয়ে দায় এড়াতে চেষ্টা করেন। এ ছাড়া মন্ত্রী হেসে হেসে মিডিয়ায় বক্তব্য উপস্থাপন করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সর্বমহল থেকে নিন্দার ঝড় ওঠে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নিজেও এই মন্ত্রীর ওপর ােভ প্রকাশ করেন। দোষীদের শাস্তি ও অবিবেচক মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে শিার্থীরা পরস্পর কয়েক দিন ঢাকার রাজপথ অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। এতে পুলিশ নিরীহ সাধারণ শিার্থীদের ওপর হামলা চালায় এবং এতে অনেকেই আহত হন।
অদ চালক ও বেপরোয়া ড্রাইভিংসহ সব অনিয়মের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় চালকেরা আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠবে। ফলে জনজীবনে নিরাপত্তার অভাব বাড়বে। সাধারণ মানুষ পতিত হবে মৃত্যুকূপে। এ সমস্যা নিরসনে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ চাই। হ
লেখক : ছড়াকার, সংবাদকর্মী
শিক্ষার্থী : সরকারি হাজী মুহম্মদ
মুহসীন কলেজ, চট্টগ্রাম