১৬ নভেম্বর দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে শ্রীলঙ্কার পিপলস ফ্রন্টের (এসএলপিপি) গোতাবায়া রাজাপাকসে ৫২ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দেশটির সপ্তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ রাজাপাকসের ছোটভাই। মাহিন্দা রাজাপাকসে ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার শাসনামলে গোতাবায়া দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন। গোতাবায়া শ্রীলঙ্কার একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা। তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবির কর্মকর্তা থাকাকালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে রাজনীতিতে আসেন। ধীরে ধীরে নিজেকে একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। মাহিন্দা রাজাপাকসের আমলে তিনি যখন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন, তখন শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ২৬ বছর ধরে চলে আসা রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটান। কথিত আছে, তামিল টাইগারদের দমনকালে আনুমানিক ৪০ হাজার তামিল বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। ওই ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে মাহিন্দা রাজাপাকসের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে।
গোতাবায়ার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) প্রধান সাজিদ প্রেমাদাসা পেয়েছেন ৪১ দশমিক ৯৯ শতাংশ ভোট। তিনিও রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। সাজিদ প্রেমাদাসা শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট রানা সিংহ প্রেমাদাসার ছেলে। শ্রীলঙ্কার ক্ষমতার পালাবদলের কারণে দেশটির অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থায় গুণগত কী পরিবর্তন হতে পারে এবং পরিবর্তনের ফলে গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় এর প্রভাব কতটুকু অনুভূত হবে, তা এখন দেখার বিষয়। মাহিন্দা রাজাপাকসের পরপরই দুই দফা শাসনামলে তার তিন ভাই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী ও সংসদের স্পিকারের মতো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতি স্বজনপ্রীতির অভিযোগে ২০১৫ সালের নির্বাচনে জনগণ তাদের বর্জন করেছিল। সেই জনগণই এবারের নির্বাচনে রাজাপাকসের পরিবারের অন্যতম সদস্য গোতাবায়াকে দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর হিসেবে বেছে নিলো। শ্রীলঙ্কার জনসংখ্যা দুই কোটি ২০ লাখ। ভোটার এক কোটি ৬০ লাখ। সে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হতে একজন প্রার্থীকে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হয়। নির্বাচনী শর্ত পূরণ করেই গোতাবায়া শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। গোতাবায়ার মূল শক্তি ছিল সিংহলি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সমর্থন। এবারের নির্বাচনে গোতাবায়ার মূল লক্ষ্য ছিল সিংহলিদের সমর্থন আদায় করা। সে হিসেবে তিনি শতভাগ সাফল্য অর্জন করেছেন। তবে এ ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার সার্বিক পরিস্থিতি এবং গোতাবায়া তার দলের নির্বাচনী কৌশল যে নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে তাতে সন্দেহ নেই।
গত ২১ এপ্রিল ইস্টার সানডেতে কলম্বে^াসহ কয়েকটি শহরের তিনটি গির্জা ও হোটেলে একই সাথে সন্ত্রাসী আক্রমণের ঘটনা এবং ঘটনা-উত্তর পরিস্থিতি নির্বাচনে গোতাবায়ার সাফল্যের পক্ষে কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এপ্রিলের ঘটনার পর সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে এক অভাবিত ঐক্য লক্ষ করা গেছে। সন্ত্রাসী ঘটনার পর গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎকালীন সরকারের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে যে ঐক্যের ডাক দিয়ে ছিলেন তা দ্বীপরাষ্ট্রটির রাজনৈতিক ময়দানে সাড়া জাগিয়ে ছিল। এবারের নির্বাচনের প্রচার অভিযানের শুরু থেকেই জাতীয় নিরাপত্তা সন্ত্রাসবাদ ইস্যুকে সামনে গোতাবায়া মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে জাতিগত ঘৃণার বিষবাষ্প বেশ কায়দা করে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। এতে ফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। এ ছাড়া ২৬ বছরের রক্তস্নাত গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে গোতাবায়া ও তার দল আগেই সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলিদের মন জয় করেন।
শ্রীলঙ্কা প্রধানত বৌদ্ধপ্রধান রাষ্ট্র। জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ বৌদ্ধ, যাদের বেশির ভাগই সিংহলি। তা ছাড়া ১২ শতাংশ হিন্দু, ১০ শতাংশ মুসলিম ও ৭ শতাংশ খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নাগরিক। ১২ শতাংশ হিন্দুর মধ্যে জাতিগতভাবে তামিল সম্প্রদায়ের; যারা মূলত শ্রীলঙ্কার উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে বাস করে। শ্রীলঙ্কার সংখ্যালঘুদের মধ্যে ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির জনপ্রিয়তা তুলনামূলক বেশি। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের বেশির ভাগ ভোট পড়েছে সাজিদ প্রেমাদাসের পক্ষে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর স্বাভাবিক কারণে সংখ্যালঘুদের ভেতর ভীতির সঞ্চার হয়েছে। বিশেষ করে মুসলিম তামিল সম্প্রদায়ের মানুষ গোতাবায়া ক্ষমতায় ফিরে আসায় কিছুটা বেকায়দায় পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এ রকম মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা প্রয়োজন, ইস্টার সানডের নৃশংস ঘটনার পর মুসলিমদের ওপর যে দমনপীড়ন শুরু হয়েছিল তা এখনো তার রেশ রয়েছে। অবশ্য মুসলিমদের ওপর এ ধরনের আচরণ ইস্টার সানডের ঘটনা ঘিরে শুরু হয়নি। এর সূচনা হয়েছিল অনেক আগেই। ২০১১ সালে গোতাবায়ার ভাই মাহিন্দ্র রাজাপাকসের শাসনামলে সিংহলি জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা মুসলিমদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি উগ্রবাদী মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করেছিল, যা শেষ পর্যন্ত দাঙ্গায় রূপ নিয়েছিল। কথিত আছে, সিংহলি বৌদ্ধ সন্ন্যাসী সংসদ সদস্য আথুরালিই রাথানা মুসলিমবিরোধী সে অভিযানে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ ধর্মান্ধ বৌদ্ধ সন্যাসী এতটাই মুসলিমবিদ্বেষী যে, তিনি মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি মসজিদ চিরতরে বন্ধ করে দেয়ার দাবি উত্থাপন করেন। মুসলিম রাজনৈতিক নেতারা সন্ত্রাসবাদের সাথে যুক্ত আছেন কি না, তার তদন্ত দাবি করেন। এর জের ধরেই দু’জন মুসলিম প্রাদেশিক গভর্নর ও একজন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছিলেন। যদিও রাথানার এ দাবি আজো প্রমাণিত হয়নি এবং এ-সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতের স্থগিতাদেশে এখনো আটকে আছে।
শ্রীলঙ্কার কিছু রাজ্যের পরিস্থিতি এমন পর্যায় গিয়ে ঠেকেছে, সেখানকার মুসলিমরা মনে করেন সমাজে তারা নিগৃহীত এবং পরিকল্পিতভাবে অন্যান্য সম্প্রদায় থেকে আলাদা করে তাদের একঘরে করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের উপলব্ধি, অন্যান্য সম্প্রদায়ের বিশেষ করে সিংহলি বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলন্বীরা মুসলিমদের শত্রুভাবাপন্ন দৃষ্টিতে দেখে থাকে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য লাভজনক বিষয়ে মুসলিমদের বর্জনের যে পাঁয়তারা চলছে; তা বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রায়ই দেখতে পাওয়া যায়। মাহিন্দ্র রাজাপাকসের আমলে হাজার হাজার তামিল নাগরিকের ঘুম হারাম হয়ে যাওয়া, কারাগারে নির্যাতন করে হত্যা এবং লাশ পুড়িয়ে ফেলা ইত্যাদি দুঃস্বপ্ন আজো তামিল হিন্দুদের তাড়িয়ে বেড়ায়। রাজাপাকসের আমলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী থাকাকালে তামিলদের দমনে ‘নারকীয় হত্যাকাণ্ড’ চালানোর জন্য নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি গোতাবায়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মামলা রয়েছে। এ ছাড়াও সে সময় সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যা এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের গুমের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল আদালতে আরো দু’টি মামলা আছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, গোতাবায়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়া সংখ্যালঘুদের জন্য বিশেষ কোনো সুখবর বয়ে আনেনি। ভারত মহাসাগরে প্রভাব বিস্তার নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে যে ইঁদুর দৌড় লড়াই চলে আসছিল, রাজাপাকসে পরিবার আবারো ক্ষমতায় ফিরে আসায় ভারত সে লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়ল বলেই মনে হচ্ছে। ভারত ও চীন উভয়েই দীর্ঘ দিন ধরে শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপকে নিজেদের কব্জায় রেখে ভারত মহাসাগরের বাণিজ্যিক পথের ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ তারা বিশ্বাস করে, সমুদ্রপথের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ কারণে উভয়ের চেষ্টা থাকে এ দেশে তাদের আশীর্বাদপুষ্ট ব্যক্তিই যেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকেন। চীন এ ক্ষেত্রে মালদ্বীপের বিগত নির্বাচনে তাদের পছন্দের ব্যক্তি সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল্লাহ ইয়ামিনের পরাজয়ের প্রতিশোধ শ্রীলঙ্কার গোতাবায়া রাজাপাকসের প্রেসিডেন্ট জয়লাভের মাধ্যমে নিলো। স্মরণ করা যেতে পারে, মালদ্বীপের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবদুল্লাহ ইয়ামিনের বিরুদ্ধে ভারতপন্থী ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ জয়লাভ করেন। সন্দেহ নেই, গোতাবায়া রাজাপাকসে চীনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। গোতাবায়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী থাকাকালে তামিলদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চীন এককভাবে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। গোতাবায়া নির্বাচনের আগে ঘোষণা করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলে চীনের সাথে শ্রীলঙ্কার সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করবেন। চীনের সমুদ্র সিল্ক রোড প্রকল্পের অন্যতম সদস্য হলো শ্রীলঙ্কা এবং এ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত কৌশলগত বন্দর হাম্মানটোটা। চীন এর মধ্যে এ বন্দর এবং তৎসংলগ্ন পাঁচ হাজার একর জমি ৯৯ বছরের জন্য লিজ নিয়েছে। বন্দরটি চীন মূলত সাবমেরিনসহ সামরিক বাণিজ্যিক জাহাজের রিফুয়েলিং ও অন্যান্য প্রয়োজনে ব্যবহার করবে। চীন এ অঞ্চলে নিজের সামরিক প্রভাব বিস্তারে শ্রীলঙ্কাকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি এক পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে চায়। তারই নিদর্শনস্বরূপ চলতি জুলাই মাসে শ্রীলঙ্কাকে একটি যুদ্ধজাহাজ উপহার দিয়ে শ্রীলঙ্কার সাথে সামরিক সম্পর্ক আরো জোরদার করেছে বলে মনে হয়। এ রকম পরিস্থিতিতে চীন সমর্থক গোতাবায়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ ভারতের জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর বটে। গোতাবায়ার জয়লাভে ভারত মনোক্ষুণœ হলেও কূটনৈতিক অনুশীলনের অংশ হিসেবে মোদি শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্টকে যথারীতি অভিনন্দন জানিয়েছেন। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য শ্রীলঙ্কার কিছু রাজনৈতিক দল ও ভারতের মুখাপেক্ষি হলেও শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষ ভারতকে ভালো বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে পারেনি।
শ্রীলঙ্কার ক্ষমতার পালাবদলে যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তাতে আপাতত মনে হচ্ছে, দেশটির মুসলিম সম্প্রদায় সেখানে অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়বে। কাশ্মির নিয়ে ভারতের সর্বশেষ পদক্ষেপ, এনআরসি ও আসামসহ অন্যান্য রাজ্যে মুসলিম বিতাড়নের নীলনকশা এবং পার্শ্ববর্তী মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানের ভাগ্য নিয়ে যে খেলা চলছে, তাতে এ ভূখণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশও যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে আছে তা বলা যায়। রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিয়ে বাংলাদেশ সঙ্কটকাল অতিক্রম করছে। অতএব সার্বিক পরিবেশে আগামীতে এ অঞ্চলের ভূরাজনীতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা দেখার জন্য আরো কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। হ
লেখক : সাংবাদিক
১৬ নভেম্বর দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে শ্রীলঙ্কার পিপলস ফ্রন্টের (এসএলপিপি) গোতাবায়া রাজাপাকসে ৫২ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দেশটির সপ্তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে...
