বাসস
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বিগত ফ্যাসিবাদী সময়ে দেশীয় সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে ধ্বংস করা হয়েছিল। তাই শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে বাংলাদেশপন্থার কাছে ফিরিয়ে আনতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ জন্য সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এমপি।
বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ লেখক কর্নারে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশু-কিশোর সাময়িকী ‘শিশুবিচিত্রা’র সূচনা সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী। ‘শিশু বিচিত্রা’ শিশুদের পাঠাভ্যাস তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন শিশুসাহিত্যিক ও কবি জাকির আবু জাফর, শিশু গবেষক ও লেখক ফারহানা মান্নান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং শিশু বিচিত্রার উপদেষ্টা ও সাংবাদিক আবিদ আজম । আবৃত্তিশিল্পী ওয়ালিজা বিনতে শামসের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শিশু বিচিত্রার সম্পাদক ও শিশুসাহিত্যিক গাজী তানভীর আহমদ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. কবি তপন বাগচী, কথাসাহিত্যিক মনি হায়দার, চলচ্চিত্র পরিচালক গাজী মাহবুব, চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক গাজী জাহাঙ্গীর, শিশুসাহিত্যিক ইমরুল ইউসুফ, কবি আলম শামস এবং শিশুগ্রন্থ প্রকাশক দেওয়ান আজিজসহ আরো অনেকে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিশুদের মানসিক বিকাশ, নৈতিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীল চিন্তাকে বিকশিত করতে মানসম্মত শিশুসাহিত্যের বিকল্প নেই। প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে শিশুদের বইমুখী ও সাহিত্যনির্ভর করে তুলতে ‘শিশু বিচিত্রা’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তারা আরো বলেন, একটি শিশুর কল্পনার জগৎ যত সমৃদ্ধ হবে, তার ভবিষ্যৎ চিন্তা ও সৃষ্টিশীলতাও তত বিস্তৃত হবে। তাই শিশুদের উপযোগী আনন্দদায়ক, শিক্ষামূলক ও সৃজনশীল সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্র তৈরি করা সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
হাশেম খানের লেটারিংয়ে শিশুবিচিত্রার প্রচ্ছদ করেছেন ধ্রুব এষ। সম্পূর্ণ রঙিন ও সাদাকালো ২০০ পৃষ্ঠার এ সাময়িকীতে লিখেছেন দেশবরেণ্য লেখক ও শিশুসাহিত্যকরা।



