নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নেওয়ার সময় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে উত্তেজিত জনতা। এ সময় ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম।
রোববার রাত ১০টার দিকে এনায়েতনগর ইউনিয়নের পঞ্চবটী চাঁদনী হাউজিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জাকির হোসেন বরিশালের বানারীপাড়া থানার গাবা গ্রামের কাদের হাওলাদারের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে চাঁদনী হাউজিং এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাকির হোসেন ও শিশুটির পরিবার একই বাড়িতে পাশাপাশি কক্ষে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে। রোববার রাত ৮টার দিকে শিশুটিকে একা পেয়ে জাকির হোসেন তাকে একটি ফাঁকা কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে শত শত নারী-পুরুষ অভিযুক্তের বাড়ির সামনে জড়ো হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জাকির হোসেন ঘরের ভেতর থেকে দরজা-তালা লাগিয়ে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহাবুব আলমের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে অভিযুক্তকে থানায় নেয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পেছন থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটের টুকরো ছোড়া হয়। একটি ইটের আঘাতে ওসি মাহাবুব আলমের মাথা ফেটে যায়। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জ শহরের ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যান।
ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বের হওয়ার সময় পেছন থেকে উত্তেজিত জনতার মধ্য থেকে ইটের টুকরো ছোড়া হয়। এ সময় ইটের আঘাতে ওসি মাহাবুব আলমের মাথা ফেটে যায়। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জ শহরের ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। ধর্ষণের অভিযোগে জাকির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।



