হঠাৎ করে গ্যাস সঙ্কটে পড়েছে নোয়াখালীর সব সিএনজি স্টেশন ও শিল্প কারখানা। এতে বন্ধ হয়ে পড়েছে গ্যাসচালিত সব ধরনের যানবাহন। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন শিল্প মালিক ও যানবাহন চালকরা।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ডিজিএম মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

এর আগে, রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে মূলত গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে, শনিবার রাতে হঠাৎ করে তিন ঘণ্টার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়েছিল। রোববার সকাল থেকে শতশত যানবাহন বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে দাঁড়িয়ে থেকে গ্যাস না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

গ্যাস সঙ্কটে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ সিএনজি স্টেশন, সেতু সিএনজি স্টেশন, আমিন সিএনজি স্টেশন, ফিডাফ সিএনজি স্টেশন, মিম সিএনজি স্টেশন, লক্ষ্মীপুর জেলার শাহী সিএনজি স্টেশনসহ ছোট-বড় সব ধরনের শিল্প-কারখানা বন্ধ রয়েছে। এছাড়া উৎপাদনশীল শিল্প-কারখানা বন্ধ থাকায় মালিকপক্ষসহ বিপাকে পড়েছে নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরের গ্রাহকরা।

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ডিজিএম মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেন, জাতীয় গ্রিড থেকে মূলত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিদিন এসব অঞ্চলের জন্য ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেত। বর্তমানে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ছয় মিলিয়ন ঘনফুট। এ কারণেই মূলত গ্যাস সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, যমুনার সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করতে গিয়েই সরকারের নির্দেশে এই অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

ডিজিএম মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান জানান, কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে তিনি কিছুই জানেন না।

এদিকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের সুন্দলপুর ১, ২ ও ৩ থেকে কিছু গ্যাস সরবরাহ করার কারণে আবাসিক গ্রাহকরা কিছুটা গ্যাস পাচ্ছেন।