লালমনিরহাট সীমান্ত এলাকায় হুন্ডি ও মাদক ব্যবসায়ীরা আবারো তৎপর হয়ে উঠেছে। সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাট এখন হুন্ডি, ফেনসিডিল, গাঁজা, ইয়াবা ও হেরোইনসহ নানা প্রকার মাদক পাচারের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। এতে স্কুল-কলেজের ছাত্র থেকে শুরু করে উঠতি বয়সের যুবকসহ প্রভাবশালী পরিবারের আদরের দুলালরা জড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় লালমনিরহাটে ফেনসিডিল ব্যবসার প্রসার বৃদ্ধিতে এক দিকে যেমন ব্যবসায়ীরা কোটিপতি বনে গেছে। তেমনি মাদক সেবিরা নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় শহর ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতিও ঘটছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার ৫টি উপজেলার শতাধিক স্পটে মাদকদ্রব্য কেনাবেচা হচ্ছে। শুধু খুচরা-বিক্রিই নয়, লালমনিরহাট থেকে ফেনসিডিলসহ মাদকদ্রব্যের বড় বড় চালান, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার হয়ে যাচ্ছে। তবে মাদকবিরোধী অভিযান জেলায় অব্যাহত রয়েছে।
এ দিকে হাতীবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া সীমান্তে একটি মাদকদ্রব্য ও হুন্ডি ব্যবসা পরিচালনার সিন্ডিকেটের তথ্য পাওয়া গেছে। হুন্ডি মাইদুল ইসলাম গং চোরাকারবারি, মাদক, অবৈধ অস্ত্র, গরু পাচার ও হুন্ডি ব্যবসার মাধ্যমে কোটি কোটি মুদ্রা (টাকা) পাচার করে জিরো থেকে হিরো বনে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে উপপরিচালক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর-রংপুর, জেলা প্রশাসক ও উপপরিচালক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মাইদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি বিজিবির লাইনম্যানি করি। তা ছাড়া অন্যকোনো অবৈধ ব্যবসার সাথে আমি জড়িত নই।



