দুই মাস ধরে ঢাকার দোহার উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদের সেবা বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবা প্রত্যাশীরা। এই পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে রয়েছে রাইপাড়া, মাহমদুপুর, বিলাশপুর, নারিশা ও মুকসুদপুর। ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়। জন্ম, মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ ও ট্রেড লাইসেন্সের জন্য প্রতিদিনই ভিড় করছেন ভুক্তভোগিরা।
জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আত্মগোপনে চলে যায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। এরপর থেকেই অচল হয়ে পড়ে দোহার উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কাজকর্ম। প্রতিদিন সেবা প্রত্যাশীরা নানা ধরণের কাজের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে এলেও চেয়ারম্যান ও সদস্যরা অনুপস্থিত থাকায় থমকে আছে কার্যক্রম।

গত ১৫ দিন ধরে উপজেলার ইকরাশি এলাকার মো: জুয়েল নামে এক ব্যক্তি ট্রেড লাইসেন্সের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। কিন্তু তিনি কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন। ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, কম্পিউটার অপারেটর ও উদ্যোক্তা পরিষদে এলেও স্বাক্ষরের জন্য সব ধরনের সেবাই দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন তারা। এদিকে, ১৯ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক নির্বাহী আদেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে এই পাঁচটি ইউনিয়নের প্রশাসক নিয়োগ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলোরা ইয়াসমিন জানান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা অনুপস্থিত থাকায় মূলত সেবাগ্রহীতারা বঞ্চিত হচ্ছেন। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই ইউনিয়ন পরিষদের আটকে পড়া কাজ সমাধান হয়ে যাবে।