প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকার বন্ধ থাকাকালে ক্ষতি পোষাতে সরকারিভাবে সারাদেশের মতো এ উপজেলায়ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের মধ্যে বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। আর এ তালিকা প্রস্তুুত করেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা। সেই তালিকা উপজেলা মৎস্য অফিসে আসার পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, মৎস্যজীবী সংগঠনের সমন্বয়ে প্রকৃত জেলেদের মাঝে ভিজিএফএর চাল বিতরণ করা হয়। তবে এ তালিকায় অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত জেলেদের নামের পরিবর্তে রয়েছে প্রবাসী, চাকরিজীবী ও অমৎস্যজীবীদের নাম।
এ বিষয় প্রতিকার পেতে গত ২১ অক্টোবর উপজেলার নদমূলা শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শওকত হোসেন ৫৫ জনের নামের তালিকাসহ পিরোজপুর জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কোনো মিটিং বা প্রকৃত মৎস্যজীবীদের তালিকা প্রস্তুত করেননি। জমা দেয়া তালিকায় মৃত ব্যক্তি, , চাকরিজীবী ও অমৎস্যজীবীদের নাম রয়েছে। এ ছাড়া কারো কারো নাম দুইবারও রয়েছে। তিনি প্রকৃত মৎস্যজীবীদের তালিকা করে ভিজিএফের চাল বিতরণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে নদমূলা শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেজবা উদ্দিন আরিফ জোমাদ্দারের জানান, আগে ইলিশ শিকারে দুই দফায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হতো। একবার সাগরে ও একবার দেশের নদ-নদীতে। বর্তমানে এটি যৌথভাবে ২২ দিন অবরোধ দেয়া হয়। এ কারণে আগের ও বর্তমানের তালিকায় হেরফের থাকতে পারে। আর এ চিত্র শুধু এ ইউনিয়নেই নয় সব স্থানে। মৎস্যজীবীদের সংখ্যানুপাতিকহারে বরাদ্দ না পাওয়ায় কেউ কেউ বাদ পরতে পারেন। আবার কেউ পেশা পরিবর্তন করতে পারেন। সে তথ্য না জানলে কীভাবে সংশোধন করব। তারপরও আমাদের কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি, মৌখিকভাবে শুনেছি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।
ভাণ্ডারিয়ায় জেলেদের ভিজিএফের তালিকায় প্রবাসী ও মৃত ব্যক্তি
প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকার বন্ধ থাকাকালে ক্ষতি পোষাতে সরকারিভাবে সারাদেশের মতো এ উপজেলায়ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের মধ্যে বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা...



