ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সব ধরনের দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধসহ ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে ফের বিক্ষোভ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় ছাত্ররাজনীতি থাকা না থাকার ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের মাঝে গণভোটের দাবি তুলেছেন তারা।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের সামনে বিভিন্ন হলে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকেন। পরে সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমবেত হন তারা। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভিসি চত্বরে এসে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিক্ষোভ করেই শিক্ষার্থীরা। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে যুক্ত থাকা সমন্বয়ক ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।
শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভকালে যেসব স্লোগান দেন তাদের মধ্যে কয়েকটি ছিল এরকম : টু জিরো টু ফোর; লেজুড়বৃত্তি নো মোর, লেজুড়বৃত্তির ঠিকানা; এই ক্যাম্পাসে হবে না, আবু সাঈদ-মুগ্ধ; শেষ হয়নি যুদ্ধ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের ৯ দফার মধ্যে ৭ নম্বর দফাটিই ছিল ছাত্ররাজনীতি নিয়ে, কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই দাবির কোনো বাস্তবায়ন নেই। জুলাই অভ্যুত্থানের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই ছাত্ররাজনীতি বন্ধের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই। আমরা বিভাগ ও হলগুলোতে রাজনীতি চাই না। আমাদের প্রত্যাশা একটি লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস। ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু নেই। আমরা অবিলম্বে ডাকসু নির্বাচন চাই।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের বলেন, ছাত্ররাজনীতি মানে ছাত্রদের জন্য রাজনীতি। কিন্তু যখন তা দলীয় লেজুড়বৃত্তিক হয়ে যায় তখন ছাত্রদের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকে না। ছাত্ররাজনীতির কথা বললেই ছাত্রলীগের সেই নৃশংস সংস্কৃতিগুলো আমাদের সামনে ভেসে ওঠে।
ঢাবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধে গণভোট আয়োজনের দাবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সব ধরনের দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধসহ ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে ফের বিক্ষোভ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় ছাত্ররাজনীতি থাকা না থাকার ব্যাপারে...



