ভোলা লালমোহন উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল লতিফের স্ত্রী সুমাইয়া বেগমের (২৮) দু’টি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। ছোট ছোট দু’টি কন্যাসন্তানের মা সুমাইয়াকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে কিডনি প্রতিস্থাপন কিংবা ডায়ালাইসিস ছাড়া বিকল্প কোনো উপায় নেই বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা। সুমাইয়া বর্তমানে রাজধানী ঢাকার মিরপুরে কিডনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বেঁচে থাকার জন্য তাকে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে।
এ দিকে হতদরিদ্র চা দোকানদার আব্দুল লতিফের পক্ষে এত ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হয়ে ওঠছে না। স্ত্রীর চিকিৎসায় ইতোমধ্যে তিনি প্রায় ছয় লাখ টাকা ঋণী হয়ে গেছেন।
আব্দুল লতিফ বলেন, ‘আমার স্ত্রীর চিকিৎসায় প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। তার চিকিৎসায় কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তিগতভাবে কেউ যদি এগিয়ে আসতেন, তাহলে খুবই উপকৃত হবো।’ তিনি সমাজের বিত্তবান এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করছেন।