বগুড়ার শেরপুরে আলুর বীজ না পেয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা-বগুড়া মহসড়ক অবরোধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। ঘণ্টাব্যাপী এই অবরোধের ফলে উভয়পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে যানজটের সৃষ্টি করে। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজাউল করিম ও ওসি শফিকুল ইসলামের আশ^াসে অবরোধ তুলে নেন কৃষকরা।
কৃষকরা জানান, মৌসুমের শুরু থেকেই একটি চক্র আলু বীজের কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। সেই চক্রের সাথে ডিলাররা জড়িত হয়ে সঙ্কটের সুযোগ নিয়ে এই উপজেলার বরাদ্দকৃত বীজ অবৈধভাবে কাহালুসহ অন্যান্য উপজেলায় নিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছে। তারা ৭৯ টাকার আলুবীজ ১২০ টাকা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে।

মালেক, মজিবর, আব্দুল মজিদ, মাসুদ, কালাম, রজিব, জাহাঙ্গীরসহ অবরোধকারী অনেক কৃষক জানান, ডিলারদের নির্ধারিত দোকানে বীজ পাওয়া না গেলেও গোপনে দ্বিগুন দামে তারা বীজ বিক্রি করছেন। রাতের আঁধারে ডিলাররা বীজ পাচার করছেন। গত বুধবার রাতে ডিলার ফিরোজ আলমের দুই ট্রাক বীজ বিশালপুর ইউনিয়নের চৌমহনী বাজার থেকে আটক করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেন কৃষকরা।
শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক খান বলেন, সিন্ডিকেট করে বেশি দামে আলুবীজ বিক্রি করার অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ফিরোজ আলী মাস্টারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।