কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে গত কয়েক দিনের তীব্র শীতের পর আজ তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীতের তীব্রতা এখনো কাটেনি। দিনের শুরুতে সূর্যের দেখা মিললেও ঘন মেঘ এবং কুয়াশার কারণে উত্তাপ তেমন ছড়াতে পারছে না। ফলে কনকনে ঠান্ডার প্রভাব থেকে রেহাই পাচ্ছে না জনজীবন।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শ‌নিবার সকালে কুড়িগ্রামের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশ‌মিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকা‌লের তুলনায় দশ‌মিক ৫ ডিগ্রী সেল‌সিয়াস বেড়েছে। তাপমাত্রা বাড়ার ফলে শীতের প্রকোপ কিছুটা কমলে এখনো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে।

কনকনে ঠান্ডার কারণে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষজন সময়মতো কাজে বের হতে পারছে না। গেল দুই সপ্তাহ ধরে জেলায় কখনো মৃদু, কখনো মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে। তবে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় শ্রমজীবী মানুষ কাজে ফিরতে শুরু করেছেন।

ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের কৃষক রহমান আলী বলেন, ‘ঠান্ডার কারণে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তবে কাজ না করলে তো খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। তাই শীতের মধ্যেই ধান রোপন করতে হচ্ছে।’

নওদাবশ এলাকার দিনমজুর নায়েব আলী বলেন, ‘গত কয়েক দিন শীতের কারণে বাইরে কাজ করতে পারিনি। আজ একটু তাপমাত্রা বেড়েছে, তাই কাজে ফিরেছি।’

রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ সকাল ৮টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতের প্রকোপ ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকবে এবং ডি‌সেম্বর মাসের শেষের দিকে ঠান্ডার প্রকোপ আরো বেশি হবে।